Lesson 16

দূত হল প্রকৃত পক্ষে এক সত্তা ! কখনো এদেরকে করুব ও। ... এই ক্ষমতাশালী পরিচর্যাকারী আত্মা বাইবেলের ইতিহাস ধরে প্রকাশিত হয়ে আসছে। দেখা গিয়েছে যে তাঁরা পবিত্রগনকে সুরক্ষা ও নির্দেশ দেন ও প্রয়োজনে দুষ্টদের শাস্তি বিধান করেন। কিন্তু তাঁদের সবচাইতে বড় লক্ষ্য হল সুসমাচার ও ভাববাণী প্রকাশ করা ও তা ব্যাখ্যা করা।আপনি জানেন কি বিধ্বস্ত লোকেদের সঙ্কটে ঈশ্বর দূতগণের মাধ্যমে এই পৃথিবীতে এক বিশেষ বার্তা প্রেরণ করেন?। প্রকাশিত বাক্যে তিনি শেষকালীন বিষয়ে দূতগনের মাধ্যমে বহু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন তিন স্বর্গ দূত উড়িতেছেন এটি হল তার প্রতীক। এই বার্তার তাৎপর্য হল যতক্ষণ না তাদের বার্তা পূর্ণ হচ্ছে ততদিন যীশু আসবেন না। এই অধ্যায়ন পুস্তিকা আপনার চোখ খুলে রাখার মতো দৃশ্য দেখাবে, এবং আগামী ৮ টি অধ্যায়ন পুস্তিকা এর সমস্ত চমৎকার বিবরণ দেবে। প্রস্তুত হন – ঈশ্বরের ব্যক্তিগত বার্তা আপনাকে বর্ণনা করা হবে।

1. আমরা কেন প্রকাশিত বাক্য পড়ব? এটা কি মুদ্রাঙ্কিত হয়ে যায়নি?

উত্তর: ৬টি গুরুত্বপূর্ণ কারণে আমাদের প্রকাশিত বাক্য অধ্যায়ন করতে হবে।

ক। না মুদ্রাঙ্কিত হয়নি। “আর তিনি আমাকে কহিলেন, তুমি এই গ্রন্থের ভাববাণীর বচন সকল মুদ্রাঙ্কিত করিও না; কেননা সময় সন্নিকট” - (প্রকাশিত বাক্য ২২:১০)। দীর্ঘকালের যুদ্ধ খ্রীষ্ট ও শয়তানের মধ্য, এবং শয়তানের শেষ সময়ের চাতুরী প্রকাশিত বাক্য প্রকাশ করে। শয়তান সহজেই মানুষকে তার জালে ফেলতে পারবে না যারা এই সত্য সম্বন্ধে জানে, তাই সে আশা করে যে মানুষ বিশ্বাস করবে যে প্রকাশিত বাক্য মুদ্রাঙ্কিত।

খ। প্রকাশিত বাক্যের অর্থ হল “উন্মুক্ত করা”, “প্রকাশ করা” অথবা “উন্মোচন” করা এটির বিপরীত হল বন্ধ বা মুদ্রাঙ্কিত, সর্বদাই প্রকাশিত থাকবে।

গ।প্রকাশিত বাক্য যীশুর পুস্তক হিসেবেই গণ্য, “যীশু খ্রীষ্টের প্রকাশিত বাক্য ঈশ্বর তাঁহাকে দান করিলেন যেন তিনি যাহা যাহা শীঘ্র ঘটিবে, সে সকল আপন দাসগণকে দেখাইয়া দেন।”-(প্রকাশিত বাক্য ১:১) প্রকাশিত বাক্য হল একদম অদ্বিতীয় যীশুর পুস্তক। এটি শুরু হয় “যীশু খ্রীষ্টের” প্রকাশিত। এটি এমনকি তার চিত্র তুলে ধরে (প্রকাশিত বাক্য ১:১৩-১৬)। অন্য কোন পুস্তক যীশু, ও তার শেষ দিনের নির্দেশাবলী ও তাঁর কাজের পরিকল্পনা এবং তাঁর অনুসরণকারীদের প্রকাশ করে না যেমনটি প্রকাশিত বাক্য প্রকাশ করে।

ঘ।বিশেষ করে প্রকাশিত বাক্য লেখা প্রথমিক ভাবে আমাদের দিনে মানুষদের সক্রিয় রাখতে – যীশু আসার ঠিক আগে (প্রকাশিত বাক্য ১:১-৩; ৩:১১; ২২:৬, ৭, ১২, ২০)।

ঙ।, আশীর্ব্বাদ দত্ত হবে তাঁদের প্রতি যাঁরা এই পুস্তক অধ্যায়ন করে ও পালন করতে সচেষ্ট হয়। (প্রকাশিত বাক্য ১:৩; ২২:৭)।

চ।শেষকালের ঈশ্বরের লোকেদের বিষয় জ্ঞাত করে প্রকাশিত বাক্য শেষকালের সমস্ত বিষয়াদি প্রকাশ করে, সম্পূর্ণ পরিষ্কারভাবে। এটি বাইবেলের প্রান ফিরিয়ে আনে যখন তুমি দেখবে প্রকাশিত বাক্য কোন জায়গা নিচ্ছে। এমনকি ঐ সময় মন্ডলী কি প্রচার করবে এবং আমাদের পালনীয় কর্তব্য সম্মন্ধে ঞ্জাত করে
(প্রকাশিত বাক্য ১৪:৬-১৪) এই পুস্তক আপনাকে এক সচেতন বার্তা দেবে তাই যখন আপনি শুনবেন আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন। সেই কারণে প্রকাশিত বাক্য মন দিয়ে অধ্যায়ন করুন।

বিঃদ্রঃ পরের অংশে যাওয়ার আগে (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৬-১৪) পড়ুন।

2. ঈশ্বর তাঁর মন্ডলীগুলিকে সুসমাচারের বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন
(মার্ক ১৬:১৫), তিনি এই পবিত্র ক্রিয়া কি প্রকারে সম্পাদন করেছেন প্রকাশিত বাক্যের মাধ্যমে?

“পরে আমি এক দূতকে দেখিলাম, তিনি আকাশের মধ্য পথে উড়িতেছেন, তাঁহার কাছে সুসমাচার আছে, তিনি যেন, _ পৃথিবীনিবাসীদিগকে, প্রত্যেক জাতি, বংশ ও ভাষা ও প্রজাবৃন্দকে সুসমাচার জানান।” –
(প্রকাশিত বাক্য ১৪:৬), “পরে তাহার পশ্চাতে দ্বিতীয় এক দূত আসিলেন। তিনি কহিলেন, পড়িল পড়িল সেই মহতী বাবিল, যে সমস্ত জাতিকে আপনার বেশ্যাক্রিয়ার রোষ মদিরা পান করিয়াছেন। তৃতীয় একদূত উহাঁদের পশ্চাতে আসিলেন। তিনি উচ্চস্বরে কহিলেন, কেউ যদি সেই পশু ও তাঁহার প্রতিমূর্ত্তির ভজনা করে, আর নিজ ললাটে কি হস্তে ছাব ধারণ করে, তবে সেই ব্যক্তিও ঈশ্বরের সেই রোষমদিরা পান করিবে” (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৮, ৯)।

উত্তর: স্বর্গদূত এর আক্ষরিক অর্থ হল বার্তাবাহক, এতে বোঝা যায় যে ঈশ্বর তিন দূতকে আক্ষরিক ভাবে তার দূতেদের প্রচার করার কথা নির্দেশ করেছেন এই অন্তিম দিনে। দূতের প্রতীক হিসেবে আমাদেরকে স্মরন করিয়ে দেয় যে এই বার্তার সঙ্গে এক অদ্বিতীয় শক্তি সহবর্তমান থাকবে।

3. What two crucial points does Revelation14:6 reveal about God’s message for the last days?3. প্রকাশিত বাক্য দুটি অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
(প্রকাশিত বাক্য ১৪:৬) পদের মাধ্যমে শেষকালীন কোন্ বার্তা ঈশ্বর জ্ঞাত করিয়েছেন? কোন্ দুটি মুখ্য বিষয় জ্ঞাত করেন?

“পরে আমি এক দূতকে দেখিলাম, তিনি আকাশের মধ্য পথে উড়িতেছেন, তাঁহার কাছে সুসমাচার আছে, তিনি যেন, _ পৃথিবীনিবাসীদিগকে, প্রত্যেক জাতি, বংশ ও ভাষা ও প্রজাবৃন্দকে সুসমাচার জানান” (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৬)।

উত্তর: দুটি অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলঃ ১) এটি হল অনন্তকালীন সুসমাচার এবং ২) এটি পৃথিবীর প্রত্যক মানুষের কাছে প্রচার করা হবে। তিন দূতের বার্তায় সুসমাচারকে বেশি জোর দেওয়া হয়, যেটা সাধারন ভাবে ব্যক্ত করে যে মানুষ বিশ্বাসে উদ্ধারপ্রাপ্ত - এবং কেবলমাত্র যীশুকে গ্রহন করে (প্রেরিত ৪:১০-১২; যোহন ১৪:৬)। এছাড়া উদ্ধার পাওয়ার আর কোন রাস্তা নেই, কেবলমাত্র শয়তান বলে যে অন্য রাস্তা আছে।

শয়তানের বিভ্রান্তি :

শয়তানেরা মূলত দুটি বিষয়ের দ্বারা মানুষকে বিভ্রান্ত করে ১) মানুষ তাঁর কার্য্যের মাধ্যমে পরিত্রাণ পায় ও ২) পাপে পরিত্রাণ। যা সবটাই মিথ্যা।এই দুই বিভ্রান্তি তিন দূতের বার্তায় প্রকাশ পেয়েছে। অনেকে, এটি না ভেবে তারা এই দুই বিভ্রান্তির উপর তাদের উদ্ধার পাওয়ার চেষ্টা করছে–এই কৃতিত্ব অসম্ভব। আমরা এই বিষয়েও জোর দিচ্ছি যে এই অন্তিম দিনে যারা তিন দূতের বার্তা প্রচার করছে না তারা সত্য সুসমাচার প্রচার করছে না।

4. What four distinctive points does the first angel’s message cover?

4. কোন্ ৪ টি স্বতন্ত্র দিক্ প্রথম দূতের বার্তা ব্যক্ত করে?

“তিনি উচ্চরবে এই কথা কহিলেন, “ঈশ্বরকে ভয় কর, ও তাঁহাকে গৌরব প্রদান কর, কেননা তাঁহার বিচার সময় উপস্থিত, যিনি স্বর্গ, পৃথিবী, সমুদ্র ও জলের উনুই সকল উৎপন্ন করিয়াছেন, তাঁহার ভজনা কর” (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৭)।

উত্তর:

ক। ঈশ্বরকে ভয় কর :এর অর্থ আমাদেরকে অবশ্যই ঈশ্বরকে শ্রদ্ধা করতে হবে এবং প্রেম, বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার –
সাথে তার ইচ্ছানুযায়ী তাঁর ইচ্ছা পালন করে যেতে হবে। “সদাপ্রভুর ভয়ে মনুষ্য মন্দ হইতে সরিয়া যায়” -
(হিতোপদেশ ১৬:৬)। বুদ্ধিমান ব্যক্তি সলোমনও বলেছেন “ঈশ্বরকে ভয় কর ও তাঁর আজ্ঞা সকল পালন কর, এটাই হল সকল মানুষের কর্তব্য” (উপদেশক ১২:১৩)।

খ। সদাপ্রভুকে গৌরব প্রদান কর :যখন আমরা ঈশ্বরের আশীর্বাদের গুনে ঈশ্বরকে প্রশংসা ও ধন্যবাদ দিই তখনই আমরা এই আজ্ঞাটি পূর্ণ করি। শেষকালে সবথেকে বড় বেশি যে পাপ তা হল ঈশ্বরকে ধন্যবাদ না দেওয়া। শেষকালে মানুষ ঈশ্বর প্রিয় থাকবে না, ঈশ্বরে ভয়শীল হবেনা। – (২ তীমথিয় ৩:১, ২)

গ। তাঁর বিচার সময় উপস্থিত:এই ঝলকটি বর্ণনা দেয় যে সকলেই বিচার যোগ্য ও এটি এক পরিস্কার তথ্য যে তার বিচার শুরু হয়ে গেছে। অনেক অনুবাদে বলা হয়েছে “এসেছে”। (এর বিশেষ বিচারের বিষয়ে অধ্যয়ন পুস্তিকা ১৮ ও ১৯ এ দেওয়া হয়েছে)

ঘ। সৃষ্টি কর্ত্তার ভজনা কর:. এর দ্বারা বোঝান হয়েছে একমাত্র সদাপ্রভুরই ভজনা করতে হবে, অন্য কোন দেবতার নয়-এমনকি নিজেরও নয়–ও বিবর্তনের শিক্ষাকেও নয়, যেগুলি আমাদের উদ্ধারকর্তাকে প্রত্যাখ্যান করে। (অনেক পুস্তক ও বার্তালাপে দেখায় যে চিন্তা ও আত্মমর্যাদা নিজের আরাধনা করার দিকে চালিত করে। কারণ খ্রিষ্টানরা তাদের একমাত্র শ্রদ্ধা খ্রীষ্টের কাছ থেকে পেতে পারে, যিনি আমাদেরকে তার পুত্র ও কন্যা করে নীতে পারে।

সুসমাচার ব্যক্ত করে একমাত্র সদাপ্রভুই সৃষ্টিকর্তা ও মুক্তিদাতা ঈশ্বরকে সাথে নিয়ে। তাহার ভজনা কর অর্থাত্
যে দিন তিনি নির্ধারণ করেছেন সৃষ্টির শুরুতে (সপ্তমদিন–বিশ্রাম দিন) তা ত্যাগ না করে। “তিনিই স্বর্গ, পৃথিবী
সমুদ্র ও জলের উনুই সকল উত্পন্ন করিয়াছেন। তাঁহার ভজনা কর।” (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৭) পদ যাহা (যাত্রাপুস্তক ২০:১১) পদকে নির্দেশ করে। (বিশ্রাম দিনের বিষয়ে আরও জানার জন্য অধ্যায়ন পুস্তিকা ৭ পড়ুন) ঈশ্বর নিজের সাদৃশ্যে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তিনি আমাদের মূলভিত্তি।, তিনিই আমাদের সৃষ্টিকর্তা, তাই তাঁর ভজনা ব্যতিরেকে আমরা সুরক্ষিত হই না। সপ্তম দিনকে পবিত্র করে আশীর্বাদ করেছেন স্বয়ং ঈশ্বর। ঐ দিনকে ঈশ্বরের
নির্দেশানুসারে পবিত্রভাবে পালন করাই যথার্থ উপাসনা।যাহারা ঈশ্বরকে আরাধনা করে না –
যাকেই তারা আরাধনা করুক না কেন – তারা কখনই তার মূল হতে পারে না।

5.দ্বিতীয় সেই দূত বাবিল সম্পর্কে কোন গুরুত্বপূর্ণ উক্তি করেন?
প্রকাশিত বাক্য ১৮ তে স্বর্গদূত ঈশ্বরের লোকেদের আর্জি জানিয়েছেন কি সম্পাদন করতে?

“আর এই সকলের পরে আমি স্বর্গ হইতে আর একদূতকে নামিয়া আসিতে দেখিলাম তিনি মহাক্ষমতাসম্পন্ন এবং তাঁহার প্রতাপে পৃথিবী দীপ্তিময় হইল। তিনি প্রবল রবে ডাকিয়া কহিলেন, পড়িল, পড়িল মহতী বাবিল ...
(প্রকাশিত বাক্য ১৪:৮)। হে আমার প্রজাগণ উহা হইতে বাহিরে আইস, যেন উহার পাপসকলের সহভাগী না হও, এবং উহার আঘাত সকল যেন প্রাপ্ত না হও” (প্রকাশিত বাক্য ১৮:১, ২, ৪)। পদ

উত্তর: দ্বিতীয় দূত বাবিলের আসন্ন ধ্বংসের কথা উচ্চরবে জানিয়ে ঈশ্বরের লোকেদের বাবিল থেকে নির্গত হতে আজ্ঞা করেছেন, যেন তাঁরা সুরক্ষিত হন।যতক্ষণ না আপনি বাবিল এর অর্থ
কি তা জানতে না পারছেন, আপনি এর থেকে বের হতে পারবেন না। এটির বিষয়ে চিন্তা করুন –
হতে পারে এখন আপনি বাবিলে আছেন! একইভাবে আজকের দিনেও ঈশ্বর আমাদের সতর্ক করেছেন বিভিন্ন ভাববাণী দ্বারা যেন আমরা সুরক্ষিত হই, ধ্বংসের হাত থেকে। (অধ্যয়ন পুস্তিকা ২০ বাবিলের বিষয়ে স্পষ্ট
ব্যাখ্যা করে)।

6. তৃতীয়দূতের বার্তায় কোন্ বিষয়ে আমাদের সতর্ক করা হয়েছে?

“পরে তৃতীয় দূত উহাদের পশ্চাদ আসিলেন তিনি উচ্চরবে কহিলেন। “যদি কেহ সেই পশু ও তাহার প্রতিমূর্ত্তির ভজনা করে, আর নিজ ললাটে কি হস্তে তাহার ছাব ধারণ করে, তবে সেই ব্যক্তি ও ঈশ্বরের সেই রোষমদিরা পান করিবে। ... (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৯, ১০)।

উত্তর: তৃতীয় দূত স্পষ্টতই জানিয়েছেন যে, সেই সকল ব্যাক্তি ঐ পশুর ছাব হস্তে কি ললাটে ধারণ করবে ঈশ্বর তাঁদের সমূহে উত্পাটন করবেন ও অগ্নিগন্ধকে ভস্মীভূত করবেন। প্রথম দূত সত্য আরাধনার বিষয়ে নির্দেশ দেন। তৃতীয় দূত মিথ্যা আরাধনার ভয়ানক পরিনাম যুক্ত করেন। আপনি কি কিছু অর্থে জানতে পেরেছেন পশু কে? এবং তার চিহ্ন কি? আপনি যদি না জানেন তাহলে না জেনে পশুর আরাধনা করে শেষ হয়ে যেতে পারেন। (অধ্যয়ন পুস্তিকা ২০ পশু ও তার চিহ্নের বিষয়ে সম্পূর্ণ বিবরণ দেয়। ও পুস্তিকা ২১ তার মূর্ত্তির বিষয়ে বর্ণনা করে)।

7. (প্রকাশিত বাক্য ১৪:১২) পদে, যে চারটি বিষয় বিবৃতি হয়েছে, যা ঈশ্বরের লোকেদের গ্রহণ
করা আবশ্যক, যা ঐ তিনজন স্বর্গীয় দূত প্রকাশ করেছিলেন, সেগুলি কি?

“এ স্থলে সেই পবিত্রগনের ধৈর্য্য দেখা যায়, যাহারা ঈশ্বরের আজ্ঞা ও যীশুর বিশ্বাস পালন করে” (প্রকাশিত বাক্য ১৪:১২)।

উত্তর:

ক। তারা, ধৈর্য্যশীল, বিশ্বস্ত, অধ্যবসায় স্থির থাকবে শেষ পর্য্যন্ত।ঈশ্বরের লোকেরা ধৈর্য্য সহকারে তাকে প্রকাশ করবে, তাদের জীবনে পবিত্র, বিশস্ত ও ভালো ব্যবহার দ্বারা।

খ। তারা সাধু,অথবা “পবিত্র ব্যক্তি,” কারণ তারা সম্পূর্ণরূপে ঈশ্বরের পক্ষে।

গ। তাঁরা সর্বদা ঈশ্বরের আজ্ঞাসকল পালন করে, এই বিশ্বস্ত লোকেরা খুশি মনে তার আজ্ঞা ও অন্যান্য আজ্ঞা সকল পালন করে চলেন, কারণ তাঁদের প্রথম লক্ষ্য থাকে প্রেমময় ঈশ্বরকে সুখী করার
(১ যোহন ৩:২২) (অধ্যয়ন পুস্তিকা ৬ দশ আজ্ঞার বিষয়ে আরও তথ্য দেয়)।

ঘ। তাদের যীশুর সাক্ষ্য আছে, এটিও এইভাবে অনুবাদ করা যায় “যে তাদের যীশুর প্রতি বিশ্বাস আছে”। অন্যভাবে, ঈশ্বরের লোকেরা সম্পূর্ণ ভাবে ঈশ্বরের উপর নির্ভর করবে ও তাঁকে অনুসরন করবে।

When all have heard Jesus' end-time message, He will return to earth to take His people with Him to heaven.

8. তিন স্বর্গদূতের দত্ত শিক্ষা পালনের মুহূর্তে মানুষের কি হিত সাধিত হয়?

“আর আমি দৃষ্টি করিলাম, আর দেখ শুভ্রবর্ণ একখানি মেঘ, সেই মেঘের উপরে মনুষ্যপুত্রের ন্যায় এক ব্যক্তি বসিয়া আছেন, তাঁহার মস্তকে সুবর্ণ মুকুট” (প্রকাশিত বাক্য ১৪:১৪)।

উত্তর: ঐ তিনজন স্বর্গদূতের শিক্ষাদানের অব্যবহিত পরেই যীশু মেঘরথে অবতীর্ণ হবেন তাঁর লোকেদের নিয়ে যাবার নিমিত্তে তাঁর সঙ্গে। তাঁর আগমনের সঙ্গে প্রকাশিত বাক্যের ১০০০ বছর শুরু হয়ে যাবে, ভবিষ্যত বানী সকল পূর্ণতা প্রাপ্ত হবে। (অধ্যয়ন পুস্তিকা ১২ সহস্র বছরের বর্ণনা দেয়, ও পুস্তিকা ৮ যীশুর দ্বিতীয় আগমনের বিষয়ে বর্ণনা করে)।

9.(২ পিতর ১:১২) পদে “বর্তমান সত্য” কথাটি উল্লেখিত হয়েছে এর দ্বারা কি বোঝান হয়েছে?

The special emphasis of Noah’s “present truth” was a coming floodউত্তর: “বর্তমান সত্য” বলতে অনন্তকালীন সুসমাচারের কথা বোঝান হয়েছে, যা কেবল নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্য্যন্ত প্রযোজ্য থাকবে।নিচে কয়েকটি দৃষ্টান্ত দেওয়া হল :

ক। জলপ্লাবন সম্মন্ধে নোহের বার্তা : (আদিপুস্তক ৬, ৭; ও ২ পিতর ২:৫)। নোহ ধার্মিকতার প্রচারক ছিলেন।সে ঈশ্বরের প্রেমের বার্তাকে প্রচার করছিল ও সতর্ক করেছিল যে বন্যা পৃথিবীকে ধ্বংস করবে। সেই সময়ের জন্য বর্তমান সত্য ছিল “বন্যা আসবে।এর বিশেষ ডাক ছিল “জাহাজে প্রবেশ কর”। আর এটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে এটি প্রচার না করলে এক দায়িত্বহীন বলে মনে হবে

খ। নীনবীর জন্য যোনার বার্তা : (যোনা ৩:৪) ঈশ্বর যোনাকে দেওয়া “বর্তমান সত্য” ছিল ৪০ দিনের মধ্যে নীনবী ধংস হয়ে যাবে। যোনাও ঈশ্বরকে মহিমান্বিত করেছে এবং সেই শহর অনুতাপ করেছিল। ৪০ দিনের সতর্ক বার্তা যদি অবিশ্বস্ত হত।. একবার ভাবুন। এটি ছিল বর্তমান সত্য। এটি সেই সময়ের জন্য জ্ঞাত করেছিলেন।

গ। যোহণ বাপ্তাইজকের বার্তা : (মথি ৩:১-৩; লুক ১:১৭) “মন ফিরাও কেন না স্বর্গ রাজ্য সন্নিকট” ঐ সময়ের জন্য এটাই ছিল ‘ বর্তমান সত্য ’ যে, মশীহ্ স্বয়ং যীশু অবতীর্ণ হবেন একথা, তার প্রচারের মূল কারণ ছিল যীশু প্রথম বার আসছেন এরজন্য সবাইকে প্রস্তুত হতে হবে। সুষমাচার থেকে আগমনের বিষয় বাদ দেয়া হতো তাহলে দিনটি কল্পনাতীত হতো।

ঘ। তিন দূতের বার্তা : (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৬ – ১৪)। ঈশ্বর দত্ত “বর্তমান সত্য” এ যুগের জন্য। অবশ্যই এই বার্তার মূল কেন্দ্র হচ্ছে পরিত্রাণ একমাত্র প্রভু যীশুর মাধ্যমেই সম্ভব। যাইহোক বর্তমান সত্য যা এখন আমাদের কাছে প্রচার করা হচ্ছে তা হল যীশুর দ্বিতীয় আগমন সম্পর্কেও শয়তান অতি সক্রিয়, সে যাতে মানুষকে কোনক্রমে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেজন্যই যীশু আমাদের বার্তাপ্রেরণ করছেন। যতক্ষণ না মানুষ এটি বুঝতে পারছে, শয়তান তাদেরকে বন্দী ও ধ্বংস করতে পারে। যীশু জানেন যে আমাদের এই বিশেষ বার্তার খুব প্রয়োজন, তাই তাঁর প্রেম ও দয়ার গুনে তিনি আমাদের দিয়েছেন। তাদেরকে ত্যাগ করা উচিত নয়। প্রার্থনা করুন যেন আপনি তাদের বুঝতে পারেন ধাপে ধাপে যখন পরের ৮ টি পুস্তক পড়বেন।

কিছু কিছু আবিষ্কার আপনাকে চকিত করতে পারে। কিন্তু এর সব কিছু তৃপ্তি বোধ হবে। আপনার হৃদয় স্তব্ধ করে দেওয়ার মতো। আপনি অনুভব করবেন যে যীশু আপনার সাথে কথা বলছে! যাইহোক, এটি হল তার বার্তা। নোেহর সময় জলপ্লাবনের ভাববাণী ঐ সময়ের জন্য ছিল “বর্তমান সত্য”।

10.ঈশ্বরের আগমনের ঐ মহৎ দিনের পূর্বে “বর্তমান সত্য” জানাবার জন্য বাইবেলে কে আসবে বলে উল্লেখিত হয়েছে?

“দেখ, সদাপ্রভুর সেই মহৎ ও ভয়ঙ্কর দিন আসিবার পূর্বে আমি তোমাদের নিকটে এলিয় ভাববাদীকে প্রেরণ করিব” - (মালাখি ৪:৫)।

উত্তর: এলিয় একজন ঈশ্বর মনোনীত ভাববাদী যিনি বহু সত্য ভাববাণীর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এখানে তার কিছু তাত্পর্য দেখবো নীচে দেওয়া কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে।

11. এলিয় ভাববাদীর কোন্ কার্য্যের দরুন ঈশ্বর তাঁর প্রতি দৃষ্টিপাত করেছিলেন?

বিঃদ্রঃ (১ রাজাবলি তার ১৮:১৭-৪০) পদ পড়ুন।

উত্তর: কারণ এলিয় অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ছিলেন ও বালদেবের উপাসকদের ঈশ্বরের পথে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদযোগী ছিলেন (পদ ২১)। প্রায় সমগ্র জাতি বালদেবের উপাসনায় রত ছিল। অনেকে সত্য ঈশ্বরকে ও তাঁর আজ্ঞাকে ত্যাগ করেছিল। কেবল মাত্র ঈশ্বরের একটি ভাববাদী ছিল এলিয় এবং বালদেবের ৪৫০ জন যাজক (পদ ২২)। এলিও কে, তাঁদের আরাধ্য দেবতার প্রমাণ দিতে বলেছিলেন এবং নিজেও আপন ঈশ্বরের শক্তি প্রমান করতে প্রস্তুত ছিলেন, একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এলিয় বলেছিলেন, “তোমরা কত কাল দু নৌকায় পা দিয়া চলিবে, সদাপ্রভু যদি ঈশ্বর হন, তবে তাঁহার অনুগামী হও, আর বাল যদি ঈশ্বর হয় তবে তাঁর অনুগামী হও।” এলিয়কে স্পষ্টতই জানিয়েছিলেন তিনিই একমাত্র অবশিষ্ট ঈশ্বরের ভাববাদী। এলিয়’র প্রস্তুত কাষ্ঠের উপর রাখা খণ্ডীত বৃষটির উপর অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করে ঈশ্বর তাঁর পরাক্রম প্রকাশ করেন, কিন্তু বালের ৪৫০ জন ভাববাদী তাঁদের দেবতার কাছে প্রার্থনা করে উত্সর্গীকৃত খণ্ডীত বৃষটির উপর অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করতে ব্যর্থ হয়।

বার্তাটি এক সিদ্ধান্তের দাবী করেঃ-

এলিয়ের বার্তাটি ঠিক সেই সময়ে উপস্তিত হয় যখন গভীর আত্মিক অভাব ও জাতিগত প্রথার বৈষম্য। এটি স্বর্গের এমন এক শক্তি নেমে এসেছিল যে এটি “দৈনিক ব্যস্ততা কে” বন্ধ করে সমগ্র জাতিকে আকর্ষণ করেছিল। এরপর এলিয় তাদের জোর পূর্বক লোকেদের সিধান্ত নীতে বলেছিল যে তারা কাকে আরাধনা করবে, ঈশ্বর না বাল দেবতা। লোকেরা গভীর ভাবে আকর্ষিত ও সম্পূর্ণ উপলব্ধি করে ঈশ্বরকে বেছে নিয়েছিল (পদ ৩৯)।

John the Baptist presented the “Elijah” message of his day. Those who preach Revelation 14:6–14 have the Elijah message for today.

12. এলিয় ভাববাদীর বার্তার দুটো দিক আছে, একটি তাঁর প্রথম আগমনের প্রস্তুতিকল্পে, দ্বিতীয়টি যীশুর দ্বিতীয় আগমনের প্রস্তুতিকল্পে “বর্তমান সত্য” হিসাবে স্বীকৃত।কাকে যীশু এলিয়ের বার্তা তাঁর প্রথম আগমনের জন্য প্রচার করতে বলেছিলেন?

“স্ত্রীলোকের গর্ভজাত সকলের মধ্যে যোহন বাপ্তইজকের হইতে মহান কেহই উৎপন্ন হয় নাই। আর তোমরা যদি গ্রহন করিতে সম্মত হও, তবে জানিবে যে এলিয়ের আগমন হইবে, তিনি এই ব্যক্তি” (মথি ১১:১১, ১৪)।

উত্তর:যীশু যোহনকে প্রচারের মাধ্যমে লোকেদের প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেন তাঁরা তাঁর আগমনের জন্য প্রস্তুত থাকে, যেমন তিনি এলিয়কেও নির্দেশ দিয়েছিলেন, কারণ দু’জন একই ব্যক্তির দুটি রূপ ছিল। “সে তাঁহার সম্মুখে এলিয়ের আত্মায় ও পরাক্রমে গমন করিবে।যেন পিতৃগণের হৃদয় সন্তানদের প্রতি ও অনাজ্ঞাবহদিগকে ধার্ম্মিকদের বিজ্ঞতায় চলিবার জন্য ফিরাইতে পারে” (লুক ১:১৭)।

13. How do we know the prophecy has a second application to our time–just before the second advent?

13.ভাববাণীর দ্বিতীয় প্রয়োগ এযুগে প্রযোজ্য, যীশুর দ্বিতীয় আগমনের প্রাক্কালে কি প্রকারে আমরা তা বুঝতে পারি?

“দেখ, সদাপ্রভুর সেই মহৎ ও ভয়ঙ্কর দিন আসিবার পূর্ব্বে আমি তোমাদের নিকট এলিয় ভাববাদীকে প্রেরণ করিব” (মালাখি ৪:৫)। সদাপ্রভুর ঐ মহৎ ও ভয়ঙ্কর দিনের আগমনের পূর্বে সূর্য্য অন্ধকার ও চন্দ্র রক্ত হইয়া যাইবে” (যোয়েল ২:৩১)।

উত্তর: লক্ষ্য করুন, যীশুর আগমনের পূর্বে দুটি ঘটনা ঘটবে, যা (যোয়েল ২:৩১) পদে উল্লেখ আছে ১) এলিয়ের বার্তা প্রচারিত হবে। ২) আকাশে সূর্য অন্ধকার হবে ও চন্দ্র রক্তবর্ণ হবে অর্থাত্ আকাশের বিভিন্ন চিহ্নাদি পরে এলিয়ের বার্তা। এটি দুটি ঘটনা কেন্দ্র করে। ১৯ মে ১৭৮০ সালে ঐ দিনে সূর্য অন্ধকার হয়ে যায়। আর সে একই রাতে চন্দ্র রক্তবর্ণ হয়ে যায়। (মথি ২৪:২৯) পদে আরও একটি চিহ্নের কথা যুক্ত করে-তারাগনের পতন, যেটা ১৩ নভেম্বর ১৮৩৩ সালে ঘটে। এর থেকে আমরা জানি যে শেষ এলিয়ের বার্তা শুরু হবে ১৮৩৩ এর প্রায় কাছাকাছি-সদাপ্রভুর সে ভয়ঙ্কর দিন আসার ঠিক আগে।

আকাশের চিহ্নাদির পরে এলিয়র দ্বিতীয় বার্তা:

এটা স্পষ্ট যে যোহনের “এলিয় বার্তা” দ্বিতীয় “এলিয় বার্তা” এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কারণ যোহনের বার্তা প্রচার করার ১৭০০ বছরের ও বেশি সময় পরে “ঈশ্বরের মহান দিনের” আকাশের চিহ্ন গুলি উপস্থিত হয়েছিল। (যোয়েল ২:৩১) এর “এলিয় বার্তা” ১৮৩৩ সালে সেই আকাশের চিহ্ন গুলির পরে শুরু হয়েছিল এবং যীশুর দ্বিতীয় আগমনের জন্য লোকদের প্রস্তুত করতে হবে। (প্রকাশিত বাক্য ১৪:৬-১৪) এর তৃদূতীয় বার্তা “বর্তমান সত্য” পুরোপুরি মিল খায়। এটি ১৮৪৪ সালের দিকে শুরু হয়েছিল এবং বিশ্বব্যাপী মানুষকে যীশুর দ্বিতীয় আগমনের জন্য প্রস্তুত করছে (১৪ পদে) যা পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কাছে তৃদূতীয় বার্তা পৌঁছানোর পরে ঘটবে।(১৮৪৪ তারিখের বিশদ বিবরণ ১৮ এবং ১৯ নম্বর অধ্যায়ন গাইডে দেওয়া আছে।)

বার্তা চায় একটি সিদ্ধান্ত :

এলিয় স্পষ্টতই ঐ সময়কার লোকেদের সঠিক ঈশ্বরের পথ গ্রহণ করতে বাধ্য করেছিলেন প্রমানের মাধ্যমে।
অবশ্যই একটি সিধান্ত স্থির করতে হবে। ঈশ্বরের ঐ তিনদূতের বার্তা শয়তান এবং তার প্লানের মুখোশ খুলে
দেয়। এটা ঈশ্বর তার প্রেম এবং তার প্রয়োজনকে দর্শায়। আজ ঈশ্বর তার লোকেদের প্রকৃত উপাসনা করতে আহবান করছেন, একমাত্র ঈশ্বরের আরাধনা। জানা স্বত্বেও অন্য কাউকে উপাসনা করা বা কিছুকে উপাসনা করা যা ঈশ্বরের প্রতি অনাজ্ঞাকারিতা, এবং তার ফল চিরন্তন মৃত্যু। এলিয়ওর সময়ে ঈশ্বর অদ্ভুদ ভাবে মানুষের হৃদয়ে পৌঁছতে পেরেছিলেন (১ রাজাবলি ১৮:৩৭, ৩৯) এবং বাপ্তিস্মদাতা যোহনের সময়ে তিনি একই কাজ করবেন শেষ দিনে যে ভাবে লোক তিন স্বর্গ দূতের বার্তায় উত্তর দেবে। (প্রকাশিত বাক্য ১৮:১-৪)।

God’s final Elijah message will bring families together in joy, love, and happiness.14. এলিয়ের বার্তায় কি চমৎকার আশীর্বাদ (তিন দূতের বার্তা) আনে?

ইলিয় ... সে সন্তানদের প্রতি পিতৃগনের হৃদয় ও পিতৃগণের প্রতি সন্তানদের হৃদয় ফিরাইবে (মালাখি ৪:৫, ৬)।

উত্তর: ঈশ্বরের ধন্যবাদ হোক! এলিয়’র ভাববাণী ও তিন দূতের বার্তার মাধ্যমে আমরা স্বর্গীয় পারিবারিক সুখ, ঐক্য লাভ করতে সক্ষম। ঈশ্বরের কি না মহত্ প্রতিজ্ঞা! ঈশ্বর দত্ত শেষ এলিয়ের বার্তা আমাদের পারিবারিক জীবনকে, সুখ, আনন্দ ও প্রেমে ঐক্যবদ্ধ করে।

15.সুসমাচার শব্দের মানে হল সুসংবাদ। প্রকাশিত বাক্য ১৪ অধ্যায়ে বর্ণিত তিনস্বর্গ দূতের বার্তা কি সুসংবাদ বহন করে?

উত্তর: অবশ্যই! আসুন সুসংবাদ বহন করি যেগুলি আমরা তিন স্বর্গ দূতের বার্তায় আবিষ্কার করেছি।
ক।এমন নয় যে খুব কম মানুষ থাকবে যাঁরা সুসমাচারের বার্তা পাবে, কারন প্রতিটি মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছাবে।

খ।শয়তানের পরিকল্পনা হল মানুষকে ফাঁদে ও ধ্বংস করতে তা আমাদের কাছে প্রকািশত হবে, আমরা যেন বিভ্রান্ত না হই।

গ। স্বর্গীয় ক্ষমতা দত্ত হবে সুসমাচারের বার্তা প্রচারের নিমিত্ত

ঘ। ঈশ্বরের লোকেরা ধৈর্য্যশীল ও সাধু বলে ঈশ্বর কর্ত্তৃক নির্ব্বাচিত

ঙ। ঈশ্বরের লোকেরা যীশুর সাক্ষ্য ধারন করবে।

চ। ঈশ্বরের লোকেরা প্রেমে বাধ্য হয়ে তার আজ্ঞা সকল পালন করবে।

ছ)ঈশ্বর আমাদের এতটাই ভালবাসে যে তিনি আমাদের আগমনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছেন।

জ। শেষকালীন বার্তার দ্বারা আমাদের পারিবারিক ঐক্য ও প্রেম বৃদ্ধি পাবে।

ঝ। তিন দূতের বার্তার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে কারণ যাতে আমরা তাঁর অনুগ্রহে, আমাদের বিশ্বাসে পবিত্রতা দ্বারা পরিত্রাণ পাই যা যীশু খ্রীষ্টের দ্বারা দেওয়া হয়েছে। তিনি আমাদের তার ধার্মিকতা দান করেন, আমাদের অতীতকে ঢেকে দেয় যেন আমরা প্রতিদিন তার দয়া ও অনুগ্রহে দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাই ও তার মতো হয়ে উঠি। তার সাথে থাকলে আমরা কখনোই ব্যর্থ হবো না। তিনি ছাড়া, আমরা কখনই সফল হবো না।

অতিরিক্ত বাক্য:

তিন দূতের বার্তায় যে বিষয় গুলি আলোচনা করা হবে তা হল:
ক। ঈশ্বরের বিচার পর্ব এসে গিয়েছে !

খ। পতিত বাবিল থেকে বেরিয়ে আস।

গ।পশুর ছাপ ধারণ না করা।

ভবিষ্যতের অধ্যায় নির্দেশিকা গুলিতে আপনি প্রার্থনা সহকারে এই বিষয়গুলি অধ্যায়ন করার সাথে সাথে আরও অনেক সুসংবাদ প্রকাশিত হবে। আপনি কিছু বিষয়ে বিস্মিত এবং আনন্দিত হবেন, অন্যদের জন্য হতবাক এবং দুঃখিত হবেন। কিছু বিষয় মেনে নেওয়া কঠিন হতে পারে। কিন্তু যেহেতু যীশু এই শেষ দিনে আমাদের প্রত্যেককে সাহায্য করার জন্য এবং সুরক্ষার জন্য স্বর্গ থেকে বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছেন। তাই অবশ্যই প্রতিটি বার্তা শোনার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হতে পারে না, প্রত্যেকটি সম্পূর্ণরূপে বোঝা এবং প্রত্যেকটি সম্পূর্নরূপে অনুসরণ করার জন্য তিনি সাহায্য করবেন।

16. পৃথিবীর শেষকালে ঐ তিন দূতের বিশেষ বার্তার মাধ্যমে ঈশ্বর যে দিক্ নির্দেশ করে আপনাকে, আমাদের সকলকে সহায়তা করেছেন, এতে আপনি কি ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ?

আপনার উত্তর: __________

আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর

১। যীশুর আগমনের আগে পৃথিবীর সব মানুষের কাছে তিনদূতের বার্তা পৌঁছাবে কি? এখন লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস করছে, এ কি করে সম্ভব?

উত্তর: হ্যাঁ- অবশ্যই সম্ভব কারণ এটি ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞা (মার্ক ১৬:১৫)। পৌল বলেন সুসমাচার প্রত্যকের কাছে গেছে “যাহা আকাশমন্ডলের অধঃস্থিত সমস্ত সৃষ্টির কাছে প্রচারিত হইয়াছে” (কলসীয় ১:২৩) ঈশ্বরের অনুগ্রহে যোনা ৪০ দিনের কম সময়ের মধ্যে পুরো নীনবী শহরে পৌঁছে গিয়েছিল। (যোনা ৩:৪-১০)। ঈশ্বর তাঁর কার্য্যকাল সংক্ষিপ্ত করবেন তাই ঈশ্বরের সুসমাচারের বার্তা অতিদ্রুত পৃথিবীর সকলের কানে পৌঁছাবে (রোমীয় ৯:২৮), এর বিষয়ে ভাবো এটি হবে খুব শীঘ্রই।

২। মোশী ও এলিয় কি যীশুর রূপান্তরের সময় উপস্থিত হয়েছিলেন (মথি ১৭:৩) - না কেবলমাত্র এটি দর্শন ছিল?

উত্তর: এটি আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। গ্রিক শব্দ “হরমা” অনুবাদক “দর্শন” ৯ পদে ব্যবহৃত হয়েছে “যা দেখা গিয়েছিল, এবং মোশি মৃতগণের থেকে উত্থিত হয়েছিলেন ও স্বর্গে নীত হয়েছিলেন। (যিহুদা ১:৯)। আর এলিয়া ভাববাদী জীবন্ত স্বর্গারোহন করেছিলেন ঈশ্বরের অনুগ্রহে। (২ রাজাবলি ২:১, ১১, ১২)। এই দুই ব্যক্তি, যারা পৃথিবীর যন্ত্রণা ভুগেছিলেন শয়তানের দ্বারা প্রতারিত হয়েছিলেন এবং ঈশ্বরের লোকেরা বিদ্রোহী করেছিল, তারা বুঝেছিল যে যীশু কি অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারা তাকে উত্সাহ ও মনে করিয়ে দিতে এসেছিল যে প্রত্যকে রুপান্তরিত হবে যারা তার রাজ্যে প্রবেশ করবে (মৃত্যু না দেখে যেমন এলিয়) ও (কবর থেকে পুনুরুত্থীত যেমন মোশি) কেননা আমাদের পাপের জন্য তার বলিদান।

৩। যোহন বাপ্তাইজক কেন বলেছিলেন যে তিনি এলিয় নন, (যোহন ১:১৯-২১) যেখানে যীশু ঐকথা জানিয়েছিলেন (মথি ১১:১০-১৪)?

উত্তর: উত্তর পাওয়া যায় (লুক ১:৩-১৭)। যোহনের জন্মের পূর্বেই দূতেরা তাঁর বিষয়ে জানিয়েছিলেন যে, তোমার স্ত্রী ইলীশাবেত্ তোমার জন্য পুত্র প্রসব করিবেন, ও তুমি তাহার নাম যোহন রাখিবে। সে প্রভুর সম্মুখে মহান্‌ হইবে, সে তাঁহার সম্মুখে এলিয়ের আত্মায় ও পরাক্রমে গমন করিবে, যেন পিতৃগণের হৃদয় সন্তানদের প্রতি, ও অনাজ্ঞাবহদিগকে ধার্ম্মিকদের বিজ্ঞতায় চলিবার জন্য ফিরাইতে পারে, প্রভুর নিমিত্ত সুসজ্জিত এক প্রজামণ্ডলী প্রস্তুত করিতে পারে। (পদ ১৩-১৭)। যখন ঈশ্বর যোহনকে এলিয় বলে উল্লেখ করেছেন, তখন আসলে তিনি তাঁর আত্মা, ক্ষমতা ও কার্য্য এলিয়ের ন্যায় একথা বোঝাতে যোহনকে ঐ কথা বলেছেন। সেই একই রকম ভাবে সত্য এলিয়ের বার্তা এই অন্তিম দিনের জন্যও। বার্তার মধ্য যেটি বলা হয়েছে তা মানুষের উপর নয়।তাই যোহন এলিয়ের ব্যক্তি রূপে ছিল না কিন্তু তিনি এলিয়ের বার্তা স্থাপন করেছিলেন।

৪। তিনদূতের বার্তা ব্যতিরেকে কি শেষকালীন যীশুর প্রচার কার্য্য সম্পূর্ণ করা কি সম্ভব?

উত্তর: না, অবশ্যই ঐ তিনদূতের বার্তা সহযোগে প্রচার করতে হবে। প্রকাশিত বাক্য যীশু নিজে তার শেষ কালীন বার্তা প্রকাশ করেছেন (প্রকাশিত বাক্য ১:১) এবং আরও বলেছেন যে তার অনুসরনকারিরা সেগুলি পালন করবে যা তিনি এই পুস্তকে প্রকাশ করেছেন (প্রকাশিত বাক্য ১:৩; ২২:৭)। তাই বিশ্বাসীরা অন্তিম দিনে প্রকাশিত বাক্যর দেওয়া যীশুর বার্তা তারা অবশ্যই প্রচার করবে। অবশ্যই, তিন দূতীয় বার্তা সহ
(প্রকাশিত বাক্য ১৪:৬-১৪) প্রচার করবে। লক্ষ্য করুন যীশু এই বার্তাটিকে “অনন্তকালীন সুসমাচার” বলেছেন পদ ৬ এ।তিনি আরও বলেন যে এই বার্তাটি প্রত্যকের কাছে নিয়ে যেতে হবে দ্বিতীয় আগমনের পূর্বে। এখানে তিনটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মতঃ

  1. কেউ যীশুর সত্য বার্তা “অনন্তকালীন সুসমাচার” প্রচার করছে না যতক্ষণ না তারা তিন দূতের বার্তা সহ প্রচার করছে।
  2. যদি কেউ তিন দূতের বার্তা বাদ দেয় তাহলে যীশুর বার্তাকে অনন্তকালীন সুসমাচার বলার তার অধিকার নেই।
  3. যীশুর দ্বিতীয় আগমনের আগে তিন দূতের বার্তা লোকেদের প্রস্তুত করবে (প্রকাশিত বাক্য ১৪:১২-১৪)। যতক্ষণ না আপনি তিন দূতের বার্তা শুনছেন, বুঝছেন, ও গ্রহন করছেন, ততদিন তার আগমনের জন্য প্রস্তুত না হতেও পারেন।

অন্তিম কালের জন্য বিশেষ বার্তাঃ

যীশু, যিনি জানেন আমাদের কি প্রয়োজন, তিনি আমাদের জন্য বিশেষ তিন বার্তা দিয়েছেন এই শেষ সময়ের জন্য। আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে ও তা অনুসরন করতে হবে। পরের ৮ অধ্যয়ন পুস্তিকা আরও পরিস্কার তথ্য দেবে।

৫। (লুক ১:১৭) বলে যে এলিয়ের বার্তা “অনাজ্ঞাবহদিগকে ধার্মিকদের বিজ্ঞতায় চলিবার জন্য ফিরাইতে পারে”, এর অর্থ কি?

উত্তর: “কিন্তু ধার্মিক ব্যক্তি বিশ্বাস হেতু বাঁচিবে” (রোমীয় ১:১৭)। আর ধার্মিকদের বুদ্ধি উদ্ধারকর্তার উপর বিশ্বাস করাই তাদের পরিত্রান আনবে। “আর অন্য কাহারও কাছে পরিত্রাণ নাই; কেননা আকাশের নীচে মনুষ্যদের মধ্যে দত্ত এমন আর কোন নাম নাই, যে নামে আমাদের পরিত্রান পাইতে হইবে” (প্রেরিত ৪:১২)। একমাত্র বিশ্বাস দ্বারাই ধার্ম্মিক গনিত হওয়া যায় ঈশ্বরের অনুগ্রহে একথা এলিয় ভাববাদীও পরিস্কার ভাবে জানিয়েছিলেন। যীশুর উপর বিশ্বাস ছাড়া যদি কেউ অন্য কিছুতে বিশ্বাস করে তবে খ্রীষ্ট তাকে পাপ থেকে উদ্ধার করতে পারবে না ও তাকে পরিবর্তন করতে পারবে না। মানুষের অবশ্যই এটি বোঝা দরকার ও শোনা দরকার। এই সত্যটি আজ আমাদের জন্য ঈশ্বরের তিন দূতীয় এলিয় বার্তার মধ্যমণি।

মর্মার্থ পত্র

দয়া করে এই প্রশ্নের সমাধান করার আগে পাঠটি পড়ে নিন। সমস্ত উত্তর আপনি এই সহায়িকা বইটিতে পেয়ে যাবেন।। সঠিক উত্তরটির পাশে টিক চিহ্ন দিন। বন্ধনীর সংখ্যাগুলো (১) সঠিক উত্তরের সংখ্যা নির্দেশ করে।

১। প্রকাশিত বাক্য ১৪ অধ্যায়ে তিনদূত (১)

( ) আক্ষরিক অর্থে, উচ্চরবে ঘোষণা করবে

( ) ঈশ্বরের শেষকালীন বার্তা দর্শায় যা শক্তিতে ও গতিতে ছড়িয়ে পড়বে।

( ) কোন একজনের মিথ্যা কল্পনা

২। কোনটি সঠিক প্রকাশিত বাক্য অনুসারে (৩)

( ) বইটি মুদ্রাঙ্কিত

( ) নামের অর্থ উন্মোচন বা প্রকাশ করা

( ) এটি বলে পবিত্রগন শেষকালে যা প্রচার করবেন

( ) যীশুর বাক্যের চিত্রকে প্রকাশ করে

( ) ঈশ্বর অভিশাপ দেবে যে পড়বে

৩। তিন দূতের বার্তা প্রত্যেকের কাছে পৌঁছাবে যীশুর আগমনের পূর্বে (১)

( ) হ্যাঁ

( ) না

৪। প্রথম দূতের বার্তা জোর দেয় (৩)

( ) এটি অনন্তকালীন সুসমাচারে বার্তা যা প্রচার করা হয়েছে

( ) এটি বোঝা যেতে পারেনা

( ) বিবর্তন ১টি উত্তম খ্রীষ্টিয়তত্ত্বমতবাদ

( ) বিচার সময় উপস্তিত

( ) আমাদের সত্য ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সত্য বিশ্বাস থাকা উচিত

( ) প্রতিটি ব্যক্তি তার ইচ্ছা অনুসারে যে কোন কিছুকে সে উপাসনা করতে পারে।

৫। দ্বিতীয় দূতের বার্তা বলে পড়িল পড়িল মহতী বাবিল, এবং প্রকাশিত বাক্যর ১৮ অধ্যায় বলে যারা বাবিলের মধ্য আছে তাদেরকে বাইরে বেরিয়ে আসতে নির্দেশ করে। (১)

( ) হ্যাঁ

( ) না

৬। তৃতীয় দূতের বার্তা সকলকে পশুর ছাপ ধারন করতে অনুরোধ করে। (১)

( ) হ্যাঁ

( ) না

৭। কিভাবে (প্রকাশিত ১৪:১২) ঈশ্বরের লোকেদের বিষয়ে কথা বলে (২)

( ) তারা ধৈর্য্যশীল

( ) তারা সাধু

( ) তারা দশআজ্ঞায় অবিশ্বাসী

( ) তারা অল্প বিশ্বাসী

৮। সকলের কাছে সুসমাচার পৌঁছানোর ঠিক পরেই কি ঘটবে? (১)

( ) জাতি পরিবর্তন হবে

( ) ঈশ্বর জেরুশালেম ও নিউ ইয়র্ক পুনর্গঠন করবেন

( ) যীশুর দ্বিতীয় আগমন হবে।

৯। আজকের দিনের জন্য, কোন্ টি “বর্তমান সত্য” (১)

( ) যোনার নীনবীতে‌ বার্তা

( ) নোহের জলপ্লাবনের বার্তা

( ) তিনদূতের বার্তা (প্রকাশিত ১৪:৬-১৪)

১০। তিনদূতের বার্তা সম্মন্ধে কোনটি সত্য? (৬)

( ) বার্তাগুলি বর্তমানে প্রচারিত

( ) বার্তা দ্বারা জানা যায় পরিত্রাণ একাই খ্রীষ্ট দেন

( ) এটিকে “এলিয়ের বার্তাও” বলা হয়

( ) ব্যক্তিগতভাবে এলিয় প্রকট হবেন প্রচারার্থে

( ) তারা খ্রীষ্টীয়ানদের বিবর্তনের উপর জোর দেয়

( ) অধিকাংশ লোকেরা কখনোই তাঁদের সম্মন্ধে জানবে না

( ) তারা পরিবারকে প্রেমে ও ঐক্যে আবদ্ধ করবে

( ) এক অলৌকিক শক্তি তাদের সাথে থাকবে

( ) তারা যীশুর দ্বিতীয় আগমনের জন্য প্রস্তুত করবে

১১। যোহন বাপ্তাইজককে কেন সে যুগের এলিয় বলা হয়? (১)

( ) সে আকাশ থেকে আগুন নামাতে পারত

( ) উচ্চ যাজকেরা তাঁর নাম সুপারিশ করেছিল

( ) তাঁর প্রচার এলিয়ের আত্মা ও ক্ষমতায় অগ্ৰবত্তী হয়েছিল

১২। সুসমাচারের অর্থ সুসংবাদ (১)

( ) হ্যাঁ

( ) না

১৩। যিশু প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি এই শেষ সময়ে পরিবারের সদস্যদের ভালোবাসা ও ঐক্যের মাধ্যমে কাছাকাছি নিয়ে আসবেন। আপনি কি আপনার পরিবারে এই অভিজ্ঞতার জন্য প্রার্থনা করছেন? (১)

( ) হ্যাঁ

( ) না

১৪। শেষকালে ঈশ্বর যে এই বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তার লোকেদের সুরক্ষা করার জন্য, তাতে কি আপনি কৃতজ্ঞ?

( ) হ্যাঁ

( ) না