Lesson 9
আপনি কি আপনার প্রিয়জনদের কষ্ট দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? আপনার ভুলের জন্য কি আপনার প্রতিনিয়ত অনুশোচনা হয়? আপনি কি কখনও ইচ্ছা করেছেন যে আপনি ভেতর এবং বাহির উভয় দিকে থেকে পরিষ্কৃত হবেন? তাহলে আপনার জন্য সুখবর আছে- আপনি শুদ্ধ হতে পারেন!ঈশ্বরের পরিকল্পনা আছে যার দ্বারা আপনার সমস্ত পাপ ধৌত করে আপনার চরিত্র সমৃদ্ধ করতে পারে। অযৌক্তিক মনে হচ্ছে? একদমই নয়!বাইবেল বলে, “আমরা বাপ্তিস্ম দ্বারা (খ্রীষ্টের) সহিত সমাধিপ্রাপ্ত হইয়াছি”। (রোমীয় ৬:৪)। যখন আপনি ঈশ্বরকে গ্রহণ করেন তখন আপনার পূরানো জীবনের পাপের মৃত্যু ঘটে, ঈশ্বর আপনার সব পাপ ধৌত করার অঙ্গীকার করেছেন। শুধু এটাই নয়, তিনি আপনাকে আপনার সব পাপকাজের অভ্যাসের উপর জয়লাভ করতে সাহায্য করবেন। আপনি কি জানেন যে বাইবেলে ২৮ বার ক্রুশের কথা লেখা আছে, কিন্তু বাপ্তিস্মের কথা ৯৭ বার উল্লেখ আছে? এটি অবশ্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ- আর আশ্চর্য হবার কিছু নেই যে, এটি এক নতুন জীবনের সূচনা করে। বাইবেলের আশ্চর্যজনক ঘটনাবলী পড়ুন।

“যে বিশ্বাস করে ও বাপ্তাইজিত হয় সে পরিত্রাণ পাইবে” কিন্তু যে অবিশ্বাস করে তাহার দণ্ডাজ্ঞা করা যাইবে” (মার্ক ১৬:১৬)।
উত্তরঃ হ্যাঁ! এটা আর কেমন ভাবে সহজ করে যায়?
2. কিন্তু যে দস্যু ক্রুশে ছিল সে তো বাপ্তাইজিত হয় নি, তো আমরা কেন হব?
“কারন তিনিই আমাদের গঠন জানেন; আমরা যে ধূলিমাত্র, ইহা তাঁহার স্মরণে আছে” (গীতসংহিতা ১০৩:১৪)।
উত্তর: ক্রুশে সেই দস্যু যা কিছু চুরি করেছিল সে সমস্ত ফিরিয়ে দেয়নি, যেমন ঈশ্বর তাঁর লোকেদের নির্দেশ দেয় (যিহিস্কেল ৩৩:১৫)। ঈশ্বর আমাদের সেই সমস্ত কিছুর উপর দোষী ধরবেন যা আমরা করতে সক্ষম, কিন্তু তিনি “ধুলোর” সীমাবদ্ধতাগুলো জানেন। তিনি সেই সমস্ত কাজ চান না যেগুলো করা শারীরিক ভাবে অসম্ভব। যদি দস্যু ক্রুশ থেকে নীচে নেমে আসতে পারতো, সে তো বাপ্তিস্ম অবশ্যই নিত। যে যে ব্যক্তি সক্ষম তার বাপ্তিস্ম নেওয়া উচিত।
3. “বাপ্তিস্ম” গ্রহণের কতগুলি রীতি প্রচলিত আছে। যদি কোনো ব্যক্তি আন্তরিক হন, রীতিগুলোর মধ্যে যে কোন একটি কি গ্রহণযোগ্য হবে না?
“প্রভু এক, বিশ্বাস এক, বাপ্তিস্ম এক” (ইফিষীয় ৪:৫)।
উত্তরঃ না! কেবল একটি মাত্র পদ্ধতিতেই সঠিক বাপ্তিস্ম হয়। অন্য সব তথাকথিত বাপ্তিস্ম গুলো নকল। বাপ্তিস্ম শব্দটি আসলে গ্রীক শব্দ বাপ্তিস্ম থেকে এসেছে, এর অর্থ হল “নিচে ডুবানো অথবা মগ্ন করা কিংবা নিমজ্জিত করা। নতুন নিয়মে তরলের ব্যবহার বর্ণনা করতে আটটি গ্রীক শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু এসব বিচিত্র শব্দগুলো-যেগুলোর অর্থ করলে হবে ছিটিয়ে দেওয়া, ডুবিয়ে দেওয়া ঢেলে দেওয়া-এদের মধ্যে কেবলমাত্র "নিমজ্জিত করা" (বাপ্তিস্ম) অর্থটিই বাপ্তিস্ম বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
টীকা : বাপ্তিস্মের জন্য শয়তানের "বুফে" পরিকল্পনা বলে, "আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন। বাপ্তিস্মের পদ্ধতিতে কিছু এসে যায় না। আপনার অন্তরত্মাটিই হলো মুখ্য।" কিন্তু বাইবেল বলে, "এক প্রভু, এক বিশ্বাস, এক বাপ্তিস্ম।" এটি আরও বলে, "আমি আপনাকে যাহা বলি, সেই বিষয়ে আপনি সদাপ্রভুর বাক্য মান্য করুন"(যিরমিয় ৩৮:২০)।

যীশু গালিলের নাসারৎ হইতে আসিয়া যোহনের দ্বারা যর্দ্দনে বাপ্তাইজিত হইলেন। আর তৎক্ষণাৎ জলের মধ্য হইতে উঠিবার সময় (মার্ক ১:৯, ১০)।
উত্তর: যীশু নিমজ্জনের মাধ্যমে বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন। লক্ষ্য করুন যে অধ্যাদেশের পরে, তিনি “জল থেকে উঠেছিলেন”, যীশু “যর্দন নদীতে” বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন” নদীর তীরে নয়। যেমন অনেকে বিশ্বাস করে থাকেন। যোহন সর্বদা “যেখানে বেশি জল থাকতো” সেখানে বাপ্তিস্ম দেয়ার খুঁজতেন। (যোহন ৩:২৩)। যেন জায়গাটি পর্যাপ্ত গভীর হয়। বাইবেল বলে আমরা যীশুর পদচিহ্ন অনুসরণ করার জন্য আহুত (১ পিতর ২:২১)।

“আর ফিলিপ ও নপুংসক উভয়ে জলমধ্যে নামিলেন, এবং ফিলিপ তাঁহাকে বাপ্তাইজ করিলেন। আর যখন তাহারা জলের মধ্য হইতে উঠিলেন, তখন প্রভুর আত্মা ফিলিপকে হরণ করিয়া লইয়া গেলেন” (প্রেরিত ৮:৩৮, ৩৯)।
উত্তর: না, । ফিলিপ, যিনি প্রাচীন মণ্ডলীর একজন, নেতা ছিলেন, তিনি ঠিক সেই ভাবে জলে নিমজ্জিত করে ইথিয়পীয় কোষাধ্যক্ষকে বাপ্তিস্ম দিয়েছিলেন, যেভাবে যোহন যীশুকে বাপ্তাইজ করেছিলেন। মণ্ডলীতে কোন ব্যক্তির পদমর্যাদা যাই হোক না কেন, তাকে ঈশ্বরের রত্যক্ষ আদেশগুলো পরিবর্তন করার কোন অধিকার বা ক্ষমতা দেয়া হয়নি।

“ইহারা অনর্থক আমার আরাধনা করে, মনুষ্যদের আদেশ ধর্মসূত্ বলিয়া শিক্ষা দেয়” (মথি ১৫:৯)।
উত্তর:বিপথে চালিত লোকেরা ঈশ্বরের বাক্যের সরাসরি বিপরীতধর্মীভাবে অন্যান্য প্রকার বাপ্তিস্ম পদ্ধতি প্রচলন করেছে। যীশু বললেন, তোমারাও আপনাদের পরম্পরাগত বিধির জন্য ঈশ্বরের আজ্ঞা লঙ্ঘন কর কেন? ... এইরূপে তোমরা আপনাদের পরম্পরাগত বিধির জন্য ঈশ্বরের বাক্য নিষ্ফল করিয়াছ” (মথি ১৫:৩, ৬)। যে আরাধনা-মানুষের শিক্ষা অনুসরণ করে, তা নিষ্ফল একটু ভেবে দেখুন! লোকেরা বাপ্তিস্মের গুরুত্ব কমানোর প্রয়াসে এর পবিএ রীতির পরিবর্তনের অনধিকারচর্ করেছে। এতে আশ্চর্য হওয়ার কোন কারণ নেই যে বাইবেল বলে “পবিত্রগনের কাছে একেবারে সমর্পিত বিশ্বাসের পক্ষে প্রাণপণ” করতে উত্সাহিত করে (যিহুদা ১:৩)।
7. বাপ্তিস্ম গ্রহনের প্রস্তুতির জন্য একজন মানুষের অবশ্য কর্তব্য কি?
উত্তর:
ক। ঈশ্বরের আবশ্যিক শর্তাবলী শিক্ষা গ্রহণ: “অতএব তোমরা গিয়া সমুদয় জাতিকে শিষ্য কর; তাহাদিগকে বাপ্তাইজিত কর; আমি তোমাদের যাহা যাহা আজ্ঞা করিয়াছি, ষে সমস্ত পালন করিতে তাহাদিগকে শিক্ষা দেও" (মথি ২৮:১৯, ২০)।
খ। ঈশ্বরের বাক্যের সত্যতার উপর বিশ্বাস করুন : যে বিশ্বাস করে ও বাপ্তাইজিত হয়, সে পরিত্রান পাইবে” (মার্ক ১৬:১৬)।
গ। অনুতাপ করুন আর পাপ থেকে দূরে থাকুন এবং পরিবর্তনের স্বাদ অনুভব করুন : “মন ফিরাও এবং তোমরা প্রত্যেক জন পাপ মোচনের নিমিত্ত যীশু খ্রীষ্টের নামে বাপ্তাইজিত হও” (প্রেরিত ২:৩৮)। “অতএব তোমরা মন ফিরাও, ও ফির যেন তোমাদের পাপ মুছিয়া ফেলা হয়” (প্রেরিত ৩:১৯)।

“অতএব আমরা তাঁহার মৃত্যুর উদ্দেশে বাপ্তিস্ম দ্বারা তাঁহার সহিত সমাধি প্রাপ্ত হইয়াছি, যেন খ্রীষ্ট যেমন পিতার মহিমা দ্বারা মৃতগণের মধ্য হইতে উত্থাপিত হইলেন, তেমনি আমরাও জীবনের নূতনতায় চলি। কেননা যখন আমরা তাঁহার মৃত্যুর সাদৃশ্যে তাঁহার সহিত একীভূত হইয়াছি তখন অবশ্য পুনরুত্থানের সাদৃশ্যেও হইব। আমরা তো ইহা জানি যে আমাদের পুরাতন মনুষ্য তাঁহার সহিত ক্রুশারোপিত হইয়াছে, যেন পাপ দেহ শক্তিহীন হয়, যাহাতে আমরা পাপের দাস আর না থাকি” (রোমীয় ৬:৪ – ৬)।
উত্তর: বাপ্তিস্ম দেখায় যে ঐ বিশ্বাসী খ্রীষ্টের সঙ্গে তাঁর মৃত্যুতে, তাঁর সমাধিতে, ও পুনরুত্থানে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এই প্রতীকের এক গভীর অর্থ আছে। বাপ্তিস্মের সময় মৃত্যুর ন্যায় চোখ বন্ধ হয় ও শ্বাসক্রিয়া থেমে যায়, এর পর আসে সমাধির ন্যায় জলে নিমজ্জিত হওয়া এবং জলের কবর থেকে উঠে এসে খ্রীষ্টে এক নতুন জীবন পাওয়া। এরপর জল থেকে উঠলে ঐ বিশ্বাসীর চোখ খোলে ও সে পুনরায় শ্বাস নিতে শুরু করে ও বন্ধু বান্ধবের সাথে মিলিত হয়-এ এক পুনরুত্থানেরই সামিল। অন্যান্য ধর্মের ও খ্রীষ্ট ধর্মের মধ্যে বড় পার্থক্য হলো খ্রীষ্টের মৃত্যু, সমাধি ও পুনরুত্থান।আর এই তিনটি ধারার মাধ্যমে ঈশ্বর আমাদের জন্য যা করতে চান তা সম্ভবপর হয়। আর শেষ সময় পর্যন্ত এই তিনটি ধারাকে খ্রীষ্টীয়ানগণের মনে জীবিত রাখতে ঈশ্বর স্মারক হিসাবে জলে নিমজ্জনের বাপ্তিস্ম স্থাপন করেছেন। অন্য কোনো ধরণের বাপ্তিস্মের মাধ্যমে মৃত্যু, সমাধি, পুনরুত্থানের এই চিহ্ন প্রতীয়মান হয় না। কেবল মাত্র নিমজ্জনের বাপ্তিস্মের মাধ্যমে (রোমীয় ৬:৪-৬) পূর্ণতা পায়।

“হে আমার বৎসেরা, তোমাদিগকে এই সকল লিখিতেছি, যেন তোমরা পাপ না কর, আর যদি কেহ পাপ করে, তবে পিতার কাছে আমাদের এক সহায় আছেন, তিনি ধার্মিক যীশু খ্রীষ্ট” (১ যোহন ২:১)।
উত্তর: এটা যেন একটি শিশুকে বলা, যেন সে ততদিন হাঁটার জন্য চেষ্টা না করে যতদিন সে নিশ্চিত না হয় যে সে আর পড়বে না। এ কেমন করে সম্ভব? একজন খ্রীষ্টীয়ান ব্যক্তিও সেই প্রকারে যীশুতে আশ্রিত সদ্যজাত “শিশু” র ন্যায়। এইজন্য পরিবর্তনের অভিজ্ঞতাকে “পুনর্জন্ম নেওয়া” বলা হয়ে থাকে। মনপরিবর্তনের সময়ে আমাদের পাপপূর্ণ অতীত ঈশ্বর মার্জ্জনা করেন ও তা বিস্মৃত হয়। বাপ্তিস্মের দ্বারা আমরা পুরাতন জীবনের সকল বাসনাগুলোকেও সমাধিস্থ করি। বয়স্ক ব্যক্তির বদলে আমরা শিশুর ন্যায় খ্রীষ্টীয় জীবন শুরু করি, এবং অপরিপক্ ও পতিত খ্রীষ্টীয়ান হিসেবে আমাদের কিছু পদস্খলন ও পতনগুলো বিচার করার বদলে, ঈশ্বর আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনের প্রবণতাগুলো দ্বারা বিচার করেন।

“আর এখন যে বিলম্ব করিতেছ? উঠ, তাঁহার নামে ডাকিয়া বাপ্তাইজিত হও ও তোমার পাপ ধুইয়া ফেল” (প্রেরিত ২২:১৬)।
উত্তর: বাপ্তিস্ম হল একটি প্রকাশ্য সাক্ষ্ যেএকজন অনুতপ্ত পাপী যীশুর দ্বারা ক্ষমাপ্রাপ্ ও পরিষ্কৃত হয়েছে (১ যোহন ১:৯) ও তার অতীত পাপময় জীবন পিছনে ফেলে এসেছে। পরিবর্তনের পর কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অপরাধের অভিযোগ থাকে না। বর্তমান সময়ের পুরুষ এবং মহিলাগণ পাপ আর অপরাধের ভারী বোঝা কাঁধে নিয়ে সংগ্রাম করছে, আর এই দূষণ ও এই বোঝা মানব ব্যক্তিত্বের জন্য এতটাই বিধ্বংসী যে তারা ক্ষমা পাবার ও পরিষ্কৃত হওয়ার একটি অনুভূতি পাবার জন্য যে কোনো কিছু করতে পারে। কিন্তু সত্যিকারের সাহায্য কেবল যীশুর কাছে এলেই পাওয়া যায়, যিনি যারা তার সান্নিধ্যে আসে তাদের সবাইকে বলেন, “আমি চাই যেন তুমি শুদ্ধ হও” (মথি ৮:৩)। তিনি কেবল শুদ্ধই করেন না, কিন্তু তিনি আপনার অন্তরে যে পাপ আছে তা ক্রুশের উপর নেয়া শুরু করেন। বাপ্তিস্ম অনেক গুরুত্বপূর্ণ কেননা এটি জন্য প্রদত্ত যীশুর দেয়া উপায় গ্রহণের প্রকাশ্য প্রাপ্তিস্বীকার!
পরিবর্তনের সময়ে ঈশ্বর:
- আমাদের অতীতকে ভুলে যান ও আমাদের মার্জ্জনা করেন।
- অদ্ভুত ভাবে আমাদের পরিবর্তিত করেন ও আমাদেরকে নতুন আধ্যাত্মিক ব্যক্তিতে রূপান্তর করেন।
- নিজ পুত্র-কন্যার ন্যায় আমাদের দত্তক নেন। পরিবর্তিত হয়েছে এমন কোনওব্যক্তি বাপ্তিস্ম গ্রহণে নিশ্চয়ই বিলম্ব করেন
অবশ্যই কোনও রূপান্তরিত ব্যক্তি বাপ্তিস্ম বিলম্বিত করতে চাইবে না, যা যীশুকে এই সব অলৌকিক কাজ করার কারণে প্রকাশ্যে মর্যাদা দেয়।
11. বাপ্তিস্ম গ্রহণের প্রস্তুতির জন্য কত সময়ের প্রয়োজন?
উত্তর: এটি নির্ভর করে ঐ ব্যক্তির গ্রহণ ক্ষমতার উপর। কেউ কেউ অন্যান্যদের তুলনায় সব
কিছু দ্রুততর অনুধাবন করতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই, সংক্ষিপ্ত ধারায় প্রস্তুতি নেয়া যেতে পারে। বাইবেলে উল্লেখিত কয়েকটি দৃষ্টান্ত :
ক। ইথিয়পীয় কোষাধ্যক্ষ (প্রেরিত ৮:২৬-৩৯): যেদিন সত্য জেনেছিলেন সেদিনই বাপ্তাইজিত হন।
খ। ফিলিপীয়দের কারারক্ষী ও তার পরিবার (প্রেরিত ১৬:২৩-৩৪): সত্য জানার সেই রাতেই বাপ্তাইজিত হন।
গ। (প্রেরিত ৯:১-১৮) তাের্ষর শৌল দম্মেশকের পথে যীশুর কথা শোনার তিন দিন পর বাপ্তাইজিত হন।
ঘ। কর্ণীলিয় (প্রেরিত ১০:১-৪৮): সত্য জানার দিনই বাপ্তিস্ম গ্রহন করেন।
12. একজন পরিবর্তিত ব্যক্তির বাপ্তিস্ম বিষয়ে ঈশ্বর কী অনুভব করেন?
উত্তর: তাঁর পুত্রের বাপ্তিস্মে তিনি বলেন, “ইনিই আমার প্রিয় পুত্র ইহাঁতেই আমি প্রীত”
(মথি ৩:১৭)। যারা ঈশ্বরকে প্রেম করে তারা সর্বদাই তাঁকে খুশি রাখার চেষ্টা করে (১ যোহন ৩:২২; ১ থিষলনীকীয় ৪:১)। একজন সত্যিকারের পরিবর্তিত ব্যক্তিকে নিয়ে স্বর্গে আনন্দ হয়!

উত্তর: না। ঈশ্বর স্পষ্ট করে দিয়েছেন:
ক। সকলকে একদেহে আহ্বান করা হয়েছে। তোমরা তো তাহারই নিমিত্ত এক দেহে আহুত হইয়াছ” (কলসীয় ৩:১৫)।
খ। মণ্ডলী হল দেহ, “আর তিনিই দেহের অর্থাত্ মণ্ডলীর, মস্তক” (কলসীয় ১:১৮)।
গ। আমরা ঐ দেহে বাপ্তিস্মের মাধ্যমে প্রবেশ করি। “সকলেই এক দেহ হইবার জন্য একই আত্মাতে বাপ্তাইজিত হইয়াছি (১ করিন্থীয় ১২:১৩)।
ঘ। পরিবর্ত্তিত ঈশ্বরের লোকদেরকে মণ্ডলীতে যুক্ত করা হবে “আর যাহারা পরিত্রাণ পাইতেছিল, প্রভু দিন দিন তাহাদিগকে তাহাদের সাথে সংযুক্ত করিতেন” (প্রেরিত ২:৪৭)।

14. চারটি জিনিস লক্ষ্য করুন যা বাপ্তিস্ম সাধন করে না :
প্রথমত: বাপ্তিস্ম স্বয়ং মানুষের হৃদয়কে পরিবর্তিত করে না। এটা কেবল সেই পরিবর্তনের প্রতীক যা ঘটেছে। বিশ্বাস ছাড়া, অনুতাপ ছাড়া, এমনকি হৃদয়ের পরিবর্তন ছাড়া একটি মানুষের বাপ্তিস্ম হতে পারে। এমনকি সে যীশুর দৃষ্টান্ত মেনে নিমজ্জিত হয়ে বাপ্তিস্ম নিতেও পারে, কিন্তু সে কেবলই শুষ্কের স্থানে একজন ভিজে পাপী হিসেবে জল থেকে উঠে আসবে-অথচ তখনও সে একজন বিশ্বাসবিহীন, অনুতাপহীন, একটি নতুন হৃদয়বিহীন রয়ে যাবে। বাপ্তিস্ম মানুষকে নতুন করতে পারে না। টি কাউকে পরিবর্তন করতে বা পুনর্জন্মও দিতেও পারে না। কেবলমাত্র পবিত্র আত্মার রূপান্তরকারী শক্তিই মানুষের হৃদয় পরিবর্তন করতে
সক্ষম। যদি কেহ জল ও আত্মা হইতে না জন্মে তবে সে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে না” (যোহন ৩:৫)।
দ্বিতীয়ত: বাপ্তিস্ম একজন ব্যক্তিকে ভালো অনুভূতি পাবার নিশ্চয়তা দেয় না।টি আমাদের অনুভূতি বদলে দেবার নিশ্চয়তা দেয় না। কেউ কেউ বাপ্তিস্মের অব্যবহিত পরে কোন পার্থক্য অনুভব না করায় হতাশ হয়ে যায়। পরিত্রান কোন আবেগের বিষয় নয় বরং বিশ্বাস, বাধ্যতার বিষয়।
তৃতীয়ত: বাপ্তিস্ম প্রলোভোনকে অপসারণ করে যায় না। বাপ্তিস্ম নেওয়ার পরে শয়তান সে ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয় না। আর যীশুও যান না, যিনি প্রতিজ্ঞা করেছেন, আমি কোনক্রমে তোমাকে ছাড়িব না, কোনক্রমে তোমাকে ত্যাগ করিব না” (ইব্রীয় ১৩:৫)। আমাদের জীবনে এমন কোন পরিক্ষা আসবে না যা জয় করতে পারবো না। এটি পবিত্র শাস্ত্রের প্রতিজ্ঞা (১ করিন্থীয় ১০:১৩)।
চতুর্থত: বাপ্তিস্ম অলৌকিক কোন অনুষ্ঠান নয় যা পরিত্রাণ নিশ্চিত করে। পরিত্রাণ কেবলমাত্র যীশুর থেকে বিনামূল্য উপহার হিসেবে আসে যখন কেউ নতুন জন্মের অভিজ্ঞতা লাভ করে। বাপ্তিস্ম হল একটি সত্যিকারের পরিবর্তনের প্রতীক, বাপ্তিস্মের আগে পরিবর্তন না এলে, এই অনুষ্ঠানটি অর্থহীন।।
15. যীশু আপনাকে বাপ্তাইজিত হতে বলছেন কারণ এটি আপনার পাপ ধৌত হওয়ার একটি চিহ্ন। আপনি কি অবিলম্বেই এই পবিত্র অনুষ্ঠানটিতে অংশ গ্রহণ করার জন্য পরিকল্পনা করছেন?
আপনার উত্তর: ________
আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর
১। কখনও কি একবারের অধিক বাপ্তিস্ম নেয়া সমীচীন?
উত্তর: হ্যাঁ। (প্রেরিত ১৯:১–৫) পদ দেখায় যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাইবেল পুনরায় বাপ্তিস্মের বিষয়।
২। শিশুদের কি বাপ্তিস্ম গ্রহন করা উচিত?
উত্তর: কেউ ততক্ষন বাপ্তাইজিত হতে পারে না যতক্ষণ সে (১) ঈশ্বরের সত্য জানে, (২) তাঁহাতে বিশ্বাস করে, (৩) পরিবর্তিত হয়েছে এবং (৪) পরিবর্তন করেছে। আর কোনো শিশুর পক্ষে এ শর্তগুলো পূরণ করা সম্ভব নয়। কারোর অধিকার নেই কোন শিশুকে বাপ্তিস্ম দেয়া। তা করা মানে বাপ্তিস্ম সংক্রান্ত ঈশ্বরের আদেশ সরাসরি-উপেক্ষা করা। বহু বছর পূর্বে মণ্ডলীর বিপথগামী ব্যক্তিগণ রায় দিয়েছিলেন যে অবাপ্তাইজিত শিশুরা হারিয়ে যায়, কিন্তু বাইবেলগতভাবে এটি সত্য নয়।এটি ঈশ্বরকে একজন অন্যায্য অত্যাচারী হিসাবে অপমানিত করে, যিনি নিষ্পাপ শিশুদের ধ্বংস করবেন কারণ তাদের বাবা-মায়েরা তাদেরকে বাপ্তিস্ম দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ধরনের শিক্ষা দুঃখজনক।
৩। বাপ্তিস্ম কি একটি ব্যক্তিগত মতামতের বিষয় নয়?
উত্তর: অবশ্যই, -তবে সেটি আপনার আমার মতামত নয়। খ্রীষ্টের মতামতটিই গ্রহণযোগ্য। খ্রীষ্ট বলেন বাপ্তিস্ম তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। “যদি কেহ জল ও আত্মা হইতে না জন্মে, তবে সে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করিতে পারে না” (যোহন ৩:৫) বাপ্তিস্ম প্রত্যাখ্যান করার মানে হল সরাসরি ঈশ্বরের পরামর্শকে প্রত্যাখ্যান করা (লুক ৭:২৯, ৩০)।
৪। বাপ্তিস্ম নেয়ার জন্য হওয়া কত বয়স আবশ্যক?
উত্তর: ভাল মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারার মতো বয়স এবং খ্রীস্টের কাছে আত্মসমর্পণ করে, তাঁকে অনুসরণ করার জন্য একটি বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত নেয়ার মত বয়স। অনেক শিশু ১০ কিংবা ১১ বছর বয়সে বাপ্তিস্মের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়, কেউ কেউ ৮ কিংবা ৯ বছর বয়সে। আবার অনেকে ১২ কিংবা ১৩ বছর বয়সেও প্রস্তুত হয় না। বাইবেলে কোনো বয়সের মানদণ্ড নেই। শিশুদের বিভিন্ন স্তরের অভিজ্ঞতা এবং বোঝার ক্ষমতা থাকে। অনেক শিশু অন্যদের চেয়ে আগে বাপ্তিস্মের জন্য আগে প্রস্তুত হয়ে যায়।
৫। বাপ্তিস্ম কি আপনা থেকেই আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে?
উত্তর: না, তবে কেউ বাপ্তিস্মকে প্রত্যাখ্যান করলে সে বিনষ্ট হতে পারে, কারণ এটি তার অবাধ্যতার পরিচয়। “আজ্ঞাবহ সকলের” জন্যই পরিত্রাণ রয়েছে (ইব্রীয় ৫:৯)।
৬। কেবলমাত্র পবিত্র আত্মার বাপ্তিস্মই কি প্রয়োজনীয় নয়?
উত্তর: কথাটি সঠিক নয়।পবিত্র বাইবেল (প্রেরিত ১০:৪৪–৪৮) আমাদের দেখায় যে জলে বাপ্তিস্মের প্রয়োজন আছে, যদিও বা এর পূর্বে পবিত্র আত্মার বাপ্তিস্ম ঘটেছে।
৭। আমাদের কি কেবল যীশুর নামেই শুধুমাত্র বাপ্তাইজিত হতে হবে না?
উত্তর: ( মথি ২৮:১৯) পদ আমাদের পিতা, পুত্রের ও পবিত্র আত্মার নামে বাপ্তাইজিত হতে বলে।এগুলো যীশুর পবিত্র বাক্য। প্রেরিত পুস্তকে আমরা নূতন বিশ্বাসীদের যীশুর নামে বাপ্তাইজিত হতে দেখি। যীশুকে মশীহ রূপে সনাক্ত করা সেই কালের লোকদের জন্য একটি সুনির্দিষ্টভাবে গুরুত্ত্বপূর্ন পদক্ষেপ ছিল, এই কারণে, সেই লোকদের নির্দিষ্টভাবে তাঁরই নামে বাপ্তিস্ম নিতে বলা হয়েছিল। আমরা বিশ্বাস করি বর্তমান সময়ের জন্যও এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।, মথির সাক্ষ্ প্রেরিত পুস্তকের সঙ্গে যুক্ত করে, আমরা লোকদেরকে পিতা, পুত্র (যীশু), এবং পবিত্র আত্মার নামে বাপ্তাইজিত করি। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে এক শাস্ত্রাংশকে অন্য শাস্ত্রাংশের ঊর্ধ্বে বসানো প্রতিরোধ করা যায়।
৮। কোন একটি পাপ আছে যেটি আমি ছাড়তে সংগ্রাম করছি। এ অবস্থায় কি আমার বাপ্তিস্ম গ্রহন করা উচিত?
উত্তর: কখনও কখনও আমরা কোনও একটি নির্দিষ্ট পাপ নিয়ে সংগ্রাম করি এবং মনে হয় যেন আমরা সেটি থেকে বেরিয়ে আসতে পারব না। এতে হতাশ হবার কোন কারন নেই! ঈশ্বর চান যেন আমরা “সমস্ত বোঝা ও সহজ বাধাজনক পাপ ফেলিয়া দিয়া ধৈর্য্যপূর্বক আমাদের সম্মুখস্থ ধাবনক্ষেত্ ক্ষেত্রে দৌড়াই” (ইব্রীয় ১২:১)। ঈশ্বর আমাদের শক্তি দেন যে কোনো পাপের উপর বিজয়ী করেত পারেন! কিন্ত আমরা, যতক্ষণ পর্যন্ত না সমর্পিত হই ততক্ষণ বাপ্তিস্মের দ্বারা জলে সমাধিত হতে প্রস্তুত নই, কেননা পূর্বের পাপের জীবনটি মরেনি।কেবল আমাদের স্বার্থের মৃত্যু হলেই আমরা খ্রীষ্টের জন্য জীবন-যাপন করতে পারি।
৯। গালাতীয় ৩:২৭ পদটির ব্যাখ্যা করবেন কি
উত্তর: এখানে ঈশ্বর মূলতঃ বাপ্তিস্মকে বিবাহের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বাপ্তিস্ম গ্রহণকারী জনসমক্ষে-খ্রীষ্টের নামটি-(খ্রীষ্টীয়ান)-গ্রহণ করার কথা ঘোষণা করে, ঠিক যেমন বিবাহের সময় কনে জনসমক্ষে তার বরের নাম গ্রহণ করার কথা ঘোষণা করে।[বাপ্তিস্মের ক্ষেত্রে, বিবাহের মতই, কতিপয় নীতিমালা প্রযোজ্য:
ক।সত্যিকােরর প্রেমে চালিত না থাকলে কখনও এটিতে প্রবেশ করা উচিৎ নয়।
খ। এটিতে কখনও সংযুক্ত হওয়া উচিৎ নয় যতক্ষন না প্রার্থী সুখে কিংবা দুঃখে বিশ্বস্ত থাকতে আকাঙ্ক্ষা করছেন।
গ। সম্পূর্ণ বোধশক্তি সহ এর দিকে অগ্রসর হওয়া উচিৎ।
ঘ। এটি যথাকালের পূর্বে কিংবা অযথা বিলম্বে হওয়া উচিৎ নয়।
সারসংক্ষেপ
দয়া করে এই প্রশ্নের সমাধান করার আগে পাঠটি পড়ে নিন। সমস্ত উত্তর আপনি এই সহায়িকা বইটিতে পেয়ে যাবেন।। সঠিক উত্তরটির পাশে টিক চিহ্ন দিন। বন্ধনীর সংখ্যাগুলো (১) সঠিক উত্তরের সংখ্যা নির্দেশ করে।
১। বাইবেল বলে, এক ঈশ্বর, এক
বিশ্বাস এবং (১)
( ) ১৫ বাপ্তিস্ম।
( ) ৫ বাপ্তিস্ম।
( ) ১২ বাপ্তিস্ম।
( ) ১ বাপ্তিস্ম।
২। যীশু কি বাপ্তিস্মের প্রয়োজনীতা শিক্ষা দিয়েছেন (১)
( ) হ্যাঁ।
( ) না।
৩। যীশু বাপ্তাইজিত হন (১)
( ) জল ঢেলে।
( ) জল ছিটিয়ে।
( )নিমজ্জিত করে।
৪। “বাপ্তাইজ” শব্দের অর্থ (১)
( ) আনন্দিত হওয়া।
( ) জল ছিটানো।
( ) জলে ঢালা।
( ) জলে নিমজ্জন\জলে ডুবানো।
৫। অনেক ভ্রান্ত বাপ্তিস্ম বর্তমানে দত্ত (১)
( ) খ্রীস্টের দ্বারা
( ) প্রচারকদের দ্বারা
( ) ভ্রান্ত প্রচারকদের দ্বারা
৬। বাপ্তিস্মের প্রস্তুতিকল্পে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ: (৪)
:
( ) সম্পূর্ণ বাইবেলটি পাঁচবার পড়া
( ) পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা পাওয়া
( ) পরিবর্তন অভিজ্ঞতা.
( ) একটানা ১০ দিন প্রার্থনা করা
( ) ৪০ দিন উপবাসে যাপন
( ) ঈশ্বরের আবশ্যিক শর্তগুলো জ্ঞাত হওয়া
( ) পাপের জন্য অনুতাপ এবং তা পরিত্যাগ করা
৭। বাপ্তিস্ম হলো
( ) পৃথিবী সৃষ্টির বিবরণের প্রতীক।
( ) বাইবেলের প্রতীক।
( ) স্বর্গের প্রতীক
( ) খ্রীষ্টের মৃত্যু, সমাধি ও পুনরুত্থানের প্রতীক।
( )স্বর্গদূতগণের প্রতীক।
৮। একজন নতুন বাপ্তাইজিত খ্রীষ্টীয়ান হলেন একজন (১) (1)
( ) আত্মিক শিশু
( ) পূর্ণবয়স্ক আত্মিক ব্যক্তি।
৯। প্রার্থনা, আন্তরিকতা, এবং উপলব্ধিসহ বাপ্তিস্মে প্রবেশ করলে (১)
( ) জনসমক্ষে মনপরিবর্তনের প্রকাশ পায়
( ) সাঁতার কাটার চেয়ে বেশি কিছু হয় না
( ) ఒక వ్యక్తి మరల ఇక ఎన్నటికి శోధింపబడడని అతనికి భరోసా నిచ్చును.
1১০। শিশুদের বাস্তিস্ম কি শাস্ত্রসম্মত? (১)
( ) হ্যাঁ।
( ) না।
১১। কিছু কিছু শিশুরা বাপ্তিস্ম অন্যদের তুলনায় আগে বাপ্তিস্মের জন্য প্রস্তুত হয়। (১)
( ) হ্যাঁ।
( ) না।
১২। নিম্নলিখিত কোন উক্তিগুলো বাইবেলভিত্তিক বাপ্তিস্মের ক্ষেত্রে সত্য? (৬)
( ) বাইবেলবাপ্তিস্মকে বিবাহের সঙ্গে তুলনা করে।
( ) আপনার কেবলমাত্র পবিত্র আত্মার বাপ্তিস্মই প্রয়োজন।.
( ) মানুষের শিক্ষার চেয়ে ঐশ্বরিক শিক্ষা উন্নততর।
( ) যীশু আমাদের জন্য দৃষ্টান্তস্বরূপ বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন।
( ) শাস্ত্রে পুনর্বাপ্তিস্মের একটি উদাহরণ রয়েছে।
( ) বাপ্তিস্ম হলো একটি নতুন জন্মের প্রতীক।
( ) বাপ্তিস্মে পুরানো জীবনটি সমাধিপ্রাপ্ত হয়।
( ) আপনার সাতবার বার বাপ্তিস্ম গ্রহন আবশ্যক।
১৩। বাপ্তিস্ম গ্রহণের প্রস্তুতিতে প্রার্থীকে কি সবসময়েই অনেক সপ্তাহ বা মাস ব্যাপী প্রস্তুতি নিতে হবে? (১) (1)
( ) అవును.
( ) కాదు.
১৪। মণ্ডলীভুক্ত না হয়েও কি একজন ব্যক্তি সত্যিকারের বাপ্তিস্মের অভিজ্ঞতা পেতে
পারে? (১)
( ) হ্যাঁ
( ) না
১৫। আমি যত শীঘ্র সম্ভব জলে নিমজ্জনের দ্বারা বাপ্তিস্ম গ্রহন করতে চাই।
( ) হ্যাঁ।
( ) না।
( ) আমি জলে নিমজ্জনের দ্বারা বাপ্তিস্ম গ্রহণ করেছি।



