Lesson 8
এটি কোন রূপকথার গল্প নয়। যে যন্ত্রণা, অনাহার, একাকীত্ব, অপরাধ, ও বিশৃঙ্খলা বর্তমান পৃথিবীকে বিপর্যস্ত করছে, একদিন আপনি সে সব থেকে মুক্তি পাবেন। এটি কি বিস্ময়কর নয়? কিন্তু এটি এমন নয় যে, কোনও আশ্চর্যজনক বিশ্ব নেতা আপনাকে উদ্ধার করতে যাচ্ছেন—না, আপনার উদ্ধারকর্তা এর চেয়েও উত্তম! যীশু অতি শীঘ্র আসছেন, কিন্তু তিনি কীভাবে পুনরায় আসবেন এ নিয়ে অনেক ভ্রান্ত ধারণা আছে। তাই দ্বিতীয় আগমন প্রসঙ্গে বাইবেল সত্যিকারে কী বলে, তা বুঝতে কয়েক মিনিট সময় কাটান যেন আপনি পিছিয়ে না থাকেন!

“তিনি দ্বিতীয় বার, বিনা পাপে, তাহাদিগকে দর্শন দিবেন, যাহারা পরিত্রাণের নিমিত্ত তাঁহার অপেক্ষা করে" (ইব্রীয় ৯:২৮)। "আর আমি যখন যাই ও তোমাদের জন্য স্থান প্রস্তুত করি, তখন পুনর্বার আসিব, এবং আমার নিকটে তোমাদিগকে লইয়া যাইব; যেন, আমি যেখানে থাকি, তোমরাও সেখানে থাক" (যোহন ১৪:৩)।
উত্তর: হ্যাঁ! মথি ২৬:৬৪ পদে যীশু সাক্ষ্য দেন যে তিনি আবার এ পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। যেহেতু শাস্ত্রের খণ্ডন হতে পারে না (যোহন ১০:৩৫), এটি সত্যি ঘটবে বলে আমরা নিশ্চিত হতে পারি। এটি খ্রীষ্টের নিজস্ব ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি। তা ছাড়া, যীশু তার প্রথম আগমনের ভবিষ্যদ্বাণীটি পূর্ণ করেছেন—এইজন্য আমরা সম্পূর্ণ নিশ্চিত হতে পারি যে তিনি তার দ্বিতীয় আগমন-সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীগুলোও পূর্ণ করবেন!
2. যীশু দ্বিতীয়বার কী পদ্ধতিতে ফিরে আসবেন?
“এই কথা বলিবার পর তিনি তাঁহাদের দৃষ্টিতে ঊর্দ্ধে নীত হইলেন, এবং একখানি মেঘ তাঁহাদের দৃষ্টিপথ হইতে তাঁহাকে গ্রহণ করিল। তিনি যাইতেছেন, আর তাঁহারা আকাশের দিকে একদৃষ্টে চাহিয়া আছেন, এমন সময়, দেখ, শুক্লবস্ত্র পরিহিত দুই জন পুরুষ তাঁহাদের নিকটে দাঁড়াইলেন; আর তাঁহারা কহিলেন, হে গালীলীয় লোকেরা, তোমরা আকাশের দিকে দৃষ্টি করিয়া দাঁড়াইয়া রহিয়াছ কেন? এই যে যীশু তোমাদের নিকট হইতে স্বর্গে ঊর্দ্ধে নীত হইলেন, উহাকে যেরূপে স্বর্গে গমন করিতে দেখিলে, সেইরূপে উনি আগমন করিবেন" (প্রেরিত ১:৯-১১)।
উত্তর: তিনি যে প্রকারে স্বর্গারোহন করেছেন, সেই প্রকারেই—দৃশ্যমান, শারীরিক, ও ব্যক্তিগতভাবে তিনি পুনর্বার প্রত্যাবর্তন করবেন, শাস্ত্র এ কথা নিশ্চিত করে। মথি ২৪:৩০ পদ বলে, পৃথিবীর সমুদয় গোষ্ঠী “মনুষ্যপুত্রকে আকাশীয় মেঘরথে পরাক্রম ও মহা প্রতাপে আসিতে দেখিবে।” তিনি আক্ষরিকভাবেই, একজন রক্ত মাংসযুক্ত ব্যক্তিরূপে আসবেন (লুক ২৪:৩৬-৪৩, ৫০, ৫১)। তার আগমন দৃশ্যমান হবে; বাইবেল তা স্পষ্ট জানায়!

“দেখ, তিনি “মেঘ সহকারে আসিতেছেন,” আর প্রত্যেক চক্ষু তাঁহাকে দেখিবে” (প্রকাশিত বাক্য ১:৭)। “বিদ্যুৎ যেমন পূর্বদিক হইতে নির্গত হইয়া পশ্চিমদিক পর্যন্ত প্রকাশ পায়, তেমনি মনুষ্যপুত্রের আগমন হইবে” (মথি ২৪:২৭)। “প্রভু স্বয়ং আনন্দধ্বনি সহ, প্রধান দূতের রব সহ, এবং ঈশ্বরের তূরীবাদ্য সহ স্বর্গ হইতে নামিয়া আসিবেন, আর যাহারা খ্রীষ্টে মরিয়াছে, তাহারা প্রথমে উঠিবে” (১ থিষলনীকীয় ৪:১৬)।
উত্তর: জগতে জীবিত প্রত্যেক মনুষ্য, নারী, পুরুষ ও শিশু, যীশু যখন দ্বিতীয়বার আসবেন তখন সেই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করবে। তাঁর গৌরব ও জ্যোতি আকাশের সকল প্রান্তে প্রকাশিত হবে, আর আকাশমণ্ডল বিদ্যুতের ঝলকের মত উজ্জল মহিমায় ভরে যাবে। এই জ্যোতিঃ থেকে কেউ লুকাতে পারবে না। এটি অনেক উচ্চরবে, এক নাটকীয় ঘটনার মতো ঘটবে যাতে এমনকি মৃতগণও জেগে ওঠে।
বিঃ দ্রঃ প্রত্যেক ব্যক্তি বুঝতে পারবে যে দ্বিতীয় অাগমন ঘটছে৷ কেউ কেউ
১ থিষলনীকীয় ৪:১৬ দ্বারা “গোপনে তুলে নেয়া” বুঝিয়ে থাকে যার মানে হলো পরিত্রানপ্রাপ্ত গণ গোপনে পৃথিবী থেকে অদৃশ্য হয়ে যাবে, অথচ পদটি বাস্তবে বাইবেলের একটি কোলাহলপূর্ণ পদ: প্রভু আনন্দধ্বনি দেন, তুরী বাজে, আর মৃতদের জীবিত করা হয়! দ্বিতীয আগমন কোনো নীরব ঘটনা নয়, এমনকি এটি কারও অন্তরে যীশুর কেবল আত্মিক আগমনও নয়। এটি কোনো মানুষের মৃত্যুকেও নির্দেশ করে না, আর এটি কোনও রূপক অর্থও করে না। এ সমস্ত তত্ত্বগুলো মানুষের উদ্ভাবন, কিন্তু বাইবেল স্পষ্ট ব্যক্ত করে যে যীশুর দ্বিতীয় আগমন খ্রীষ্টের মেঘরথে আসার একটি বিশ্বব্যাপী, দৃশ্যমান, বাস্তব ঘটনা।
4. দ্বিতীয় আগমনে যীশুর সঙ্গী কে হবেন, এবং কেন হবেন?
“যখন মনুষ্যপুত্র সমুদয় দূত সঙ্গে করিয়া আপন প্রতাপে আসিবেন, তখন তিনি নিজ প্রতাপের সিংহাসনে বসিবেন” (মথি ২৫:৩১)।
উত্তর: যীশুর দ্বিতীয় আগমনে স্বর্গের সমস্থ দূত তাঁর সঙ্গে আসবেন। যখন উজ্জ্বল মেঘটি পৃথিবীর কাছাকছি আসবে, যীশু তাঁর দূতগণকে প্রেরণ করবেন, আর তারা দ্রুততার সঙ্গে সমস্ত ধার্মিকদের একত্র করে স্বর্গে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করবে (মথি ২৪:৩১)।

“দেখ, আমি শীঘ্র আসিতেছি; এবং আমার দাতব্য পুরস্কার আমার সহবর্তী, যাহার যেমন কার্য, তাহাকে তেমন ফল দিব” (প্রকাশিত বাক্য ২২:১২)। “আমি ... পুনর্বার আসিব, এবং আমার নিকটে তোমাদিগকে লইয়া যাইব; যেন, আমি যেখানে থাকি, তোমরাও সেখানে থাক” (যোহন ১৪:৩)। “খ্রীষ্টকে, যীশুকে, তিনি যেন প্রেরণ করেন।
যাঁহাকে স্বর্গ নিশ্চয়ই গ্রহণ করিয়া রাখিবে, যে পর্যন্ত না সমস্ত বিষয়ের পুনঃস্থাপনের কাল উপস্থিত হয়” (প্রেরিত ৩:২০, ২১)।
উত্তর: যীশু এই পৃথিবীতে তাঁর সন্তানদের ত্রাণ করতে ফিরে আসছেন, যেমনটি তিনি অঙ্গীকার করেছিলেন, আর তাদের সেই স্বর্গীয় কনানে নিয়ে যেতে, যেটি তিনি তাদের জন্য প্রস্তুত করেছেন।

“কারণ প্রভু স্বয়ং আনন্দধ্বনি সহ, প্রধান দূতের রব সহ, এবং ঈশ্বরের তূরীবাদ্য সহ স্বর্গ হইতে নামিয়া আসিবেন, আর যাহারা খ্রীষ্টে মরিয়াছে তাহারা প্রথমে উঠিবে পরে আমরা যারা জীবিত আছি, যাহারা অবশিষ্ট থাকিব, আমরা প্রভুর সহিত সাক্ষাৎ করিবার নিমিত্ত একসঙ্গে তাহাদের সহিত মেঘযোগে নীত হইব; আর এই রূপে সতত প্রভুর সঙ্গে থাকিব” (১ থিষলনীকীয় ৪:১৬, ১৭)। “আমরা সকলে ... রূপান্তরীকৃত হইব ... মৃতেরা অক্ষয় হইয়া উত্থাপিত হইবে। ... কারণ এই ক্ষয়ণীয়কে অক্ষয়তা পরিধান করিতে হইবে” (১ করিন্থীয় ১৫:৫১—৫৩)। “আমরা ত্রাণকর্তার, প্রভু যীশু খ্রীষ্টের, আগমন প্রতীক্ষা করিতেছি; তিনি আমাদের দীনতার দেহকে রূপান্তর করিয়া নিজ প্রতাপের দেহের সমরূপ করিবেন” (ফিলিপীয় ৩:২০, ২১)।
উত্তর: যারা জীবিত থাকাকালীন খ্রীষ্টকে গ্রহণ করেছিলেন কিন্তু মারা গেছেন তাদের নিখুঁত এবং অক্ষয় শরীর দিয়ে কবর থেকে উত্থিত করা হবে, এবং মেঘরথে ঈশ্বরের সঙ্গে সাক্ষাত্ করার জন্য তুলে নেওয়া হবে। উদ্ধারপ্রাপ্ত জীবিতদেরও নতুন শরীর দেওয়া হবে এবং মেঘরথে ঈশ্বরের সঙ্গে সাক্ষাত্ করার জন্য তুলে নেওয়া হবে। পরে যীশু সব পরিত্রাণপ্রাপ্তদের স্বর্গে নিয়ে যাবেন।
মনে রাখবেন যে দ্বিতীয় আগমনে যীশু পৃথিবীর ভূমিতে পা রাখবেন না। তিনি মেঘে বিরাজমান থাকা অবস্থাতেই বিশ্বাসীগণ মেঘরথে তাঁর সঙ্গে স্বর্গারোহন করবে। সুতরাং ঈশ্বরের লোকেরা এমন কোনও খবর দ্বারা ভ্রান্ত হবেন না যেটি বলে যে, খ্রীষ্ট লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, মস্কো, বা পৃথিবীর অন্য কোনও স্থানে অবতীর্ণ হয়েছেন। পৃথিবীতে নকল খ্রীষ্টেরা আবির্ভূত হবে এবং অলৌকিক কার্য্য সম্পাদন করবে (মথি ২৪:২৩—২৭), কিন্তু যীশু তাঁর দ্বিতীয় আগমনের সময়ে মেঘের মাঝে পৃথিবী থেকে উপরে থাকবেন।
7. যীশুর পুনরাগমনে দুষ্টদের পরিণতি কী হবে?
“আপন ওষ্ঠাধরের নিশ্বাস দ্বারা দুষ্টকে বধ করিবেন” (যিশাইয় ১১:৪)। “তৎকালে সদাপ্রভুর নিহত লোক সকল পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে পৃথিবীর অন্য প্রান্ত পর্যন্ত দেখা যাইবে; কেহ তাহাদের নিমিত্ত বিলাপ করিবে না, এবং তাহাদিগকে সংগ্রহ করা কি কবর দেওয়া যাইবে না, তাহারা ভূমির উপরে সারের ন্যায় পতিত থাকিবে” (যিরমিয় ২৫:৩৩)।
উত্তর: যীশু এলে যাঁরা পাপ করার লক্ষ্যে বিদ্রোহ চালিয়ে যাবে তারা তাঁর গৌরবের উজ্জ্বলতায় বিনষ্ট হবে।

“আর বিদ্যুৎ ও শব্দ ও মেঘধ্বনি হইল, এবং এক মহাভূমিকম্প হইল, পৃথিবীতে মনুষ্যের উৎপত্তিকাল অবধি যেমন কখনও হয় নাই, এমন প্রচণ্ড মহাভূমিকম্প হইল ... আর প্রত্যেক দ্বীপ পলায়ন করিল, ও পর্বতগণকে আর পাওয়া গেল না” (প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৮, ২০)। “আমি দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, সদাপ্রভুর সম্মুখে ও তাঁহার জ্বলন্ত ক্রোধের সম্মুখে উদ্যান মরুভূমি হইয়া পড়িয়াছে, ও তাহার সমস্ত নগর ভগ্ন হইয়াছে” (যিরমিয় ৪:২৬)। “দেখ, সদাপ্রভু পৃথিবীকে শূন্য করিতেছেন, উৎসন্ন করিতেছেন, উল্টাইয়া ফেলিতেছেন ও তাহার নিবাসীদিগকে ছড়াইয়া ফেলিতেছেন। পৃথিবী শূন্যীকৃত, শূন্যীকৃত হইবে, ও লুন্ঠিত, লুন্ঠিত হইবে, কেননা সদাপ্রভু এই কথা বলিয়াছেন” (যিশাইয় ২৪:১, ৩)।
উত্তর: যীশুর আগমনে পৃথিবীতে এত ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প হবে যে, এতে পৃথিবী ধ্বংসস্তুপে পরিণত হবে।
9. যীশুর দ্বিতীয় আগমনের সময় আসন্ন,
এ বিষয়ে বাইবেল কি কোনও তথ্য দেয়?
উত্তর: হ্যাঁ। স্বয়ং যীশু বলেছেন, “তোমরা ঐ সকল ঘটনা দেখিলেই জানিবে, তিনি সন্নিকট, এমন কি, দ্বারে উপস্থিত” (মথি ২৪:৩৩)। তাঁর স্বর্গারোহণ থেকে দ্বিতীয় পর্যন্ত রেখে যাওয়া চিহ্নাদি:
(ক) যিরূশালেম ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়
ভাববানী: “এই স্থানের একখানি পাথর অন্য পাথরের উপরে থাকিবে না, সমস্তই ভূমিসাত্ হইবে। ...
যাহারা যিহূদিয়াতে থাকে, তাহারা পাহাড় অঞ্চলে পলায়ন করুক” (মথি ২৪:২, ১৬)।
পরিপূর্ণতা: ৭০ এ. ডি. তে রোমীয় শাসক টাইটাস যিরূশালেম ধ্বংস করেছিল।
(খ) কঠিন নিপীড়ন ও দুর্দশা আসে
ভাববানী:“তত্কালে এইরূপ “মহাক্লেশ উপস্থিত হইবে, যেরূপ জগতের আরম্ভ অবধি এই পর্যন্ত কখনও হয় নাই” (মথি ২৪:২১)।
পরিপূর্ণতা:এই ভাববাণী প্রধানত অন্ধকার যুগে ঘটিত দুর্দশাকে নির্দেশ করে যা খ্রীষ্ট বিরোধী মণ্ডলীর প্ররোচনায় হয়েছিল। এটি কমপক্ষে ১০০০ বছর ধরে চলেছিল। ভ্রষ্ট মণ্ডলীটি ৫০ লাখেরও বেশি খ্রীষ্টীয়ানদের হত্যা করেছিল, “মানব জাতির মধ্যে আর কোনও সংস্থা এর থেকে বেশি রক্ত ঝরায়নি।”

গ) সূর্য অন্ধকার হয়ে যায়
ভাববাণী: “সেই সময়ের ক্লেশের পরেই সূর্য অন্ধকার হইবে” (মথি ২৪:২৯)।
পরিপূর্ণতা: এটি ১৭৮০ সালের ১৯শে মে তারিখে অবিশ্বাস্য অন্ধকারময় একটি দিনে পরিপূর্ণ হয়েছিল। এটি কোন গ্রহণের দিন ছিল না। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছিলেন যে ঐ দিনটি এত অন্ধকারময় ছিল যে প্রতিটি গৃহে মোমবাতি জ্বালাতে হয়েছিল; পাখির দল নিস্তব্ধ এবং উধাও হয়ে গিয়েছিল, পালিত পশুরা খোঁয়াড়ে প্রবেশ করছিল। ... সকলে ভাবছিল যে, বিচারের দিন এসে গেছে।
ঘ) চন্দ্র রক্তবর্ণ হয়
ভাববাণী:“সদাপ্রভুর ঐ মহত্ ও ভয়ঙ্কর দিনের আগমনের পূর্বে সূর্য অন্ধকার ও চন্দ্র রক্ত হইয়া যাইবে” (যোয়েল ২:৩১)।
পরিপূর্ণতা:১৭৮০ সালের ১৯ মে’র “অন্ধকারময় দিনটির” রাতের বেলায় চন্দ্র রক্তবর্ণ ধারণ করেছিল। স্টোন’এর ‘ম্যাসাচুসেটসের ইতিহাস’-এ এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “সম্পূর্ণ গোলাকার চাঁদটি রক্তবর্ণ ছিল।

ঙ) আকাশ থেকে তারাদের পতন হয়
ভাববাণী: “আকাশ হইতে তারাগণের পতন হইবে” (মথি ২৪:২৯)।
পরিপূর্ণতা: ১৮৩৩ সালের ১৩ই নভেম্বরের রাতে আশ্চর্যজনক ভাবে তারার বর্ষণ শুরু হয়। তখন আকাশ এতটাই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে যে অন্ধকার রাস্তায় দাঁড়িয়েও খবরের কাগজ স্পষ্ট ভাবে পড়া যাচ্ছিল। লোকেরা ভাবতে শুরু করেছিল যে, পৃথিবীর অন্তিম দিন এসে গেছে। লক্ষ্য করুন। খুব আশ্চর্যজনক ব্যাপার—এবং খ্রীষ্টের আগমনের একটি লক্ষণ। এক লেখক লেখেন, “প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আকাশ জ্বল-জ্বল করছিল।”
চ) যীশু মেঘরথে আসেন
ভাববাণী: “তখন মনুষ্যপুত্রের চিহ্ন আকাশে দেখা যাইবে, আর তখন পৃথিবীর সমুদয় গোষ্ঠী বিলাপ করিবে, এবং ‘মনুষ্যপুত্রকে আকাশীয় মেঘরথে পরাক্রম ও মহা প্রতাপে আসিতে’ দেখিবে।” (মথি ২৪:৩০ পদ)।
পরিপূর্ণতা: এটি পরবর্তী একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আপনি কি এর জন্য প্রস্তুত আছেন?

উত্তর: হ্যাঁ! শেষ দিনগুলোর নিম্মোক্ত চিহ্নাবলী দেখুন। আপনি আশ্চর্য্য হবেন। যে সমস্ত লক্ষণগুলো দেখায় যে আমরা পৃথিবীর ইতিহাসের অন্তিম দিনগুলোতে বসবাস করছি, এগুলি হলো তার মধ্যে মাত্র কয়েকটি।
ক)যুদ্ধ এবং গোলমাল
ভাববাণী: “যখন তোমরা যুদ্ধের ও গণ্ডগোলের কথা শুনিবে, ত্রাসযুক্ত হইও না, কেননা প্রথমে এই সকল ঘটিবেই ঘটিবে” (লুক ২১:৯)।
পরিপূর্ণতা: সমগ্র পৃথিবীব্যাপী যুদ্ধ ও সন্ত্রাসী আক্রমণ লক্ষ লক্ষ লোককে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একমাত্র যীশুর শীঘ্র আগমনেই এসব শেষ হবে।
খ) আতঙ্ক, অশান্তি এবং বিপর্যয়
ভাববাণী: “পৃথিবীতে জাতিগণের ক্লেশ হইবে, ... ভয়ে এবং ভূমণ্ডলে যাহা যাহা ঘটিবে তাহার আশঙ্কায়, মানুষের প্রাণ উড়িয়া যাইবে” (লুক ২১:২৫, ২৬)।
পরিপূর্ণতা: “এ হলো বর্তমান পৃথিবীর একটি সঠিক চিত্র—এর একটি কারণ রয়েছে: আমরা পৃথিবীর ইতিহাসের শেষ সময়ে বসবাস করছি। বর্তমান পৃথিবীর পরিবেশে যে উত্তেজনা বিরাজ করছে তা’তে আমাদের আশ্চর্য্য হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। খ্রীষ্ট আগেই এ বিষয় ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে তাঁর আগমন সন্নিকট।
গ) জ্ঞানের বৃদ্ধি
ভাববাণী:““কিন্তু হে দানিয়েল, তুমি শেষকাল পর্যন্ত এই বাক্য সকল রুদ্ধ করিয়া রাখ, এই পুস্তক মুদ্রাঙ্কিত করিয়া রাখ; অনেকে ইতস্ততঃ ধাবমান হইবে, এবং জ্ঞানের বৃদ্ধি হইবে” (দানিয়েল ১২:৪)।
পরিপূর্ণতা: বিজ্ঞান, তথ্য-প্রযুক্তির সময়ে জ্ঞানের বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন কি সবচেয়ে সন্দেহপ্রবণ ব্যক্তিও একমত হবেন যে এ লক্ষণটি পরিপূর্ণ হয়েছে। চিকিত্সা, প্রযুক্তি, ইত্যাদি—বিজ্ঞানের সর্বক্ষেত্রেই এখন জ্ঞানের বিকাশ দেখা যাচ্ছে।
ঘ) উপহাসক এবং ধর্মীয় সংশয়বাদীগণ
ভাববাণী:“প্রথমে ইহা জ্ঞাত হও যে, শেষকালে উপহাসের সহিত উপহাসকেরা উপস্থিত হইবে” (২ পিতর ৩:৩)। “লোকেরা নিরাময় শিক্ষা সহ্য করিবে না। ... [তাহারা] সত্য হইতে কান ফিরাইয়া গল্পের দিকে বিপথে যাইবে” (২ তীমথিয় ৪:৩, ৪)।
পরিপূর্ণতা:আজ এই ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্ণতা দেখা আমাদের জন্য কষ্টকর বিষয় নয়। এমন কি ধর্মীয় নেতাগণও পৃথিবী সৃষ্টি, নোহের মহাপ্লাবন, খ্রীষ্টের ঈশ্বরত্ব, দ্বিতীয় আগমণ, এবং বাইবেলের আরও বহু সত্যের সরল শিক্ষাগুলো অগ্রাহ্য করছে। জাগতিক শিক্ষাবিদগণ আমাদের যুব সমাজকে বাইবেলের তথ্যগুলোকে অবজ্ঞা করতে শেখায়, এবং ঈশ্বরের বাক্যের সরল সত্যের স্থানে বিবর্তনবাদ এবং অন্যান্য মিথ্যা শিক্ষা প্রতিস্থাপিত করে।
ঙ) নৈতিক অবক্ষয়, আধ্যাত্মিকতার পতন
ভাববাণী:“শেষ কালে ... মনুষ্যেরা আত্মপ্রিয়, ... স্নেহরহিত, ... অজিতেন্দ্রিয়, ... সদ্বিদ্বেষী, ভক্তির অবয়বধারী, কিন্তু তাহার শক্তি অস্বীকারকারী হইবে” (২ তীমথিয় ৩:১—৩, ৫)।
পরিপূর্ণতা: বর্তমানে আমেরিকা একটি আধ্যাত্মিক সংকটের ভেতর আছে। কথাটি সর্বস্তরের মানুষের কথা। প্রায় প্রতি দুটি বিবাহের মধ্যে অন্ততঃ একটির বিচ্ছেদ হচ্ছে। বাইবেল-ভিত্তিক আধ্যাত্মিকতার প্রতি বর্তমান প্রজন্মের অনীহাও ঈশ্বরের বাক্যের পরিপূর্ণতার একটি সরল উদাহরণ। বাস্তবিক প্রমাণের জন্য
২ তীমথিয় ৩:১—৫ পদে যে সমস্ত পাপের কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে কতগুলো খবরে শোনা যায় তা দেখুন। প্রভুর আগমন ছাড়া অন্য কিছু এই পৃথিবী গ্রাসকারী অপরাধ রোধ করতে পারবে না।

চ) বিলাসীতায় আসক্তি
ভাববাণী: “শেষ কালে ... মনুষ্যেরা ... ঈশ্বরপ্রিয় নয়, বরং বিলাসপ্রিয় হইবে” (২ তীমথিয় ৩:১, ২, ৪)।
পরিপূর্ণতা: বিশ্বব্যাপী মানুষ ভোগ বিলাসে মত্ত। খুব কম লোকই প্রতিনিয়ত গির্জায় যোগদান করে, কিন্তু হাজার হাজার লোক ক্লাব, রেস্তোরাঁ, ক্রীড়া অঙ্গন সহ বিভিন্ন বিনোদন মূলক স্থানে ভীড় জমায়। আমেরিকানরা প্রতি বছর শত কোটি ডলার আমোদ-প্রমোদের পেছনে ব্যয় করে, আর সে তুলনায় ঐশ্বরিক কাজে খুবই “তুচ্ছ পরিমাণ” ব্যয় করে। বিলাসী আমেরিকানরা জাগতিক তৃপ্তির খোঁজে টিভি’র সামনে বসে বসে শত কোটি ঘণ্টা নষ্ট করে—যা সরাসরি ২ তীমথিয় ৩:৪ পদের পূর্ণতাপ্রাপ্তি।

ছ)ক্রমবর্ধমান অন্যায়, রক্তক্ষয়ী অপরাধ, এবং সহিংসতা
ভাববাণী: “অধর্মের বৃদ্ধি” পাবে (মথি ২৪:১২)। “দুষ্ট লোকেরা ও বঞ্চকেরা ... উত্তর উত্তর কুপথে অগ্রসর হইবে” (২ তীমথিয় ৩:১৩)। “দেশ রক্তপাতরূপ অপরাধে পরিপূর্ণ, এবং নগর দৌরাত্ম্যে পরিপূর্ণ” (যিহিষ্কেল ৭:২৩)।
পরিপূর্ণতা: এটি স্পষ্ট যে এই লক্ষণগুলো ইতোমধ্যেই দেখা গিয়েছে। পৃথিবীব্যাপী অন্যায় জঘন্য গতিতে বিস্তারলাভ করছে। অনেকের মনে এই ভয় যে বাড়ির দরজার বাইরে পা রাখলেই বুঝি প্রাণ হারাতে হবে। অপরাধ আর সন্ত্রাস এতটা নিষ্ঠুরভাবে ও দ্রুতবেগে ঘটে যাচ্ছে যে আজ অনেক লোক সভ্যতার অস্তিত্তকে নিয়ে উদ্বিগ্ন।
জ). প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও উদ্ভুত সমস্যা
ভাববাণী: “বৃহত্ বৃহত্ ভূমিকম্প এবং স্থানে স্থানে দুর্ভিক্ষ ও মহামারী হইবে ... পৃথিবীতে জাতিগণের ক্লেশ হইবে” (লুক ২১:১১, ২৫)।
পরিপূর্ণতা:ভূমিকম্প, টর্নেডো, বিধ্বংসী বন্যা দিনে দিনে বেড়ে চলেছে। সেই সঙ্গে দুর্ভিক্ষ, পানীয় জলের সমস্যা, স্থানে স্থানে মহামারীর প্রকোপ, এবং অসুস্থতা, ফলে হাজার হাজার লোকের মৃত্যু হচ্ছে—এ থেকে বোঝা যায় যে আমরা পৃথিবীর অন্তিম সময়ে এসে গেছি।
ঝ)জগতের কাছে অন্তিম সময়ে একটি বিশেষ বার্তা
ভাববাণী: “সর্ব জাতির নিকটে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে” (মথি ২৪:১৪)।
পরিপূর্ণতা: খ্রীষ্টের দ্বিতীয় আগমনের মহান, এবং শেষ সতর্কবার্তাটি এখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি ভাষায় ঘোষণা করা হচ্ছে। যীশুর দ্বিতীয় আগমনের আগেই, পৃথিবীর সকল ব্যক্তিকে তাঁর শীঘ্র প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে সতর্ক করা হবে।
ঞ)প্রেতচর্চার প্রতি আকর্ষণ
ভাববাণী: “উত্তরকালে কতক লোক ভ্রান্তিজনক আত্মাদের মধ্যে ও ভূতগণের শিক্ষামালায় মন দিয়া বিশ্বাস হইতে সরিয়া পড়িবে” (১ তীমথিয় ৪:১)। “তাহারা ভূতদের আত্মা” (প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৪)।
পরিপূর্ণতা: বর্তমান যুগের লোকেরা, এমন কি বহু রাষ্ট্রের নেতাগণও মন্ত্রজ্ঞ, অশরীরি আত্মার চর্চাকারী, এবং আধ্যাত্মবাদীদের কাছে সুখ, সমৃদ্ধি, এবং সুস্বাস্থ্যের খোঁজে যায়। প্রেতচর্চা বিভিন্ন খ্রীষ্টীয় মণ্ডলীকেও আত্মার অমরত্মের এই বাইবেলের বিপরীত শিক্ষা সমর্থকদের পক্ষে আনার লক্ষ্যে আক্রমণ করেছে। এমনকি মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে বাক্যালাপও করেন তারা। বাইবেল বলে যে মৃতেরা মৃত। (এই বিষয়ে অধিক জানার জন্য ১০ নম্বর সহায়িকা বইটি দেখুন।)
ট) পুঁজি/শ্রমিক সমস্যাবলী
ভাববাণী: “যে মজুরেরা তোমাদের ক্ষেত্রের শস্য কাটিয়াছে, তাহারা তোমাদের দ্বারা যে বেতনে বঞ্চিত হইয়াছে, তাহার চিত্কার করিতেছে, এবং সেই শস্যচ্ছেদকদের আর্তনাদ বাহিনীগণের প্রভুর কর্ণে প্রবিষ্ট হইয়াছে। ... দীর্ঘসহিষ্ণু থাক ... কেননা প্রভুর আগমন সন্নিকট” (যাকোব ৫:৪, ৮)।
পরিপূর্ণতা: অন্তিম কালে পুঁজি ও শ্রমের মধ্যে দ্বন্দ্ব হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। এই ভাববাণটি পূর্ণ হয়েছে, এ ব্যাপারে আপনার কি কোনও সন্দেহ আছে?

“ডুমুর গাছ হইতে দৃষ্টান্ত শিখ; যখন তাহার শাখা কোমল হইয়া পত্র বাহির করে, তখন তোমরা জানিতে পার, গ্রীষ্মকাল সন্নিকট; সেইরূপ তোমরা ঐ সকল ঘটনা দেখিলেই জানিবে, তিনি সন্নিকট, এমন কি, দ্বারে উপস্থিত। আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, এই কালের লোকদের লোপ হইবে না, যে পর্যন্ত না এই সমস্ত সিদ্ধ হয়” (মথি ২৪:৩২-৩৪)।
উত্তর: এ বিষয়ে বাইবেল অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং সরল। প্রায় সবগুলো চিহ্ন ঘটে গিয়েছে। আমরা খ্রীষ্টের আগমনের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানি না (মথি ২৪:৩৬), কিন্তু আমরা নিশ্চিতভাবে এটা বলতে পারি যে, তাঁর আগমন প্রায় আসন্ন। ঈশ্বর এবার সমস্ত কিছুই খুব শীঘ্র সমাপ্ত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন” (রোমীয় ৯:২৮)। খ্রীষ্ট তাঁর লোকেদের জন্য এই পৃথিবীতে শীঘ্রই ফিরে আসছেন। আপনি প্রস্তুত তো?

“তাহারা ভূতদের আত্মা, নানা চিহ্ন-কার্য করে” (প্রকাশিত বাক্য ১৬:১৪)। “ভাক্ত খ্রীষ্টেরা ও ভাক্ত ভাববাদীরা
উঠিবে, এবং এমন মহৎ মহৎ চিহ্ন ও অদ্ভুত অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইবে যে, যদি হইতে পারে, তবে মনোনীতদিগকেও ভুলাইবে” (মথি ২৪:২৪)। “ব্যবস্থার কাছে ও সাক্ষ্যের কাছে [অন্বেষণ কর]; ইহার অনুরূপ কথা যদি তাহারা না বলে, তবে তাহাদের পক্ষে অরুণোদয় নাই”
(যিশাইয় ৮:২০)।
উত্তরঃ শয়তান যীশুর দ্বিতীয় আগমন সম্বন্ধে বিভিন্ন ভ্রান্ত শিক্ষা দিতে শুরু করে দিয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ লোককে এই বলে বিভ্রান্ত করছে যে যীশু ইতিমধ্যেই এসে গেছেন। সে বাইবেলের শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন পদ্ধতিতে যীশুর আগমনের কথা বলছে। কিন্তু খ্রীষ্ট শয়তানের সেই সব কৌশলের বিষয়ে আমাদের সতর্ক করে বলেছেন, “দেখিও, কেহ যেন তোমাদিগকে না ভুলায়” (মথি ২৪:৪)। তিনি শয়তানের মিথ্যার পর্দা ফাঁস করেছেন, যেন আমরা আগাম সতর্ক থাকি, আর তিনি এভাবে আমাদের স্মরণ করিয়েছেন, “দেখ, আমি পূর্বেই তোমাদিগকে বলিলাম” (মথি ২৪:২৫)। উদাহরণস্বরূপ, যীশু বলেছেন যে তিনি প্রান্তরে, বা কোনও অন্দরমহলে আবির্ভূত হবেন না (২৬ পদ)। আমাদের বিভ্রান্ত হবার কোনও কারণ নেই যদি আমরা খ্রীষ্টের আগমনের বিষয় ঈশ্বর কী বলেন তা জানি। যারা জানেন বাইবেল দ্বিতীয় আগমন সম্বন্ধে কী বলে তারা শয়তানের দ্বারা বিভ্রান্ত হবেন না। বাকি সকলেই প্রতারিত হবে।

“যে আমার কাছে আসিবে, তাহাকে আমি কোন মতে বাহিরে ফেলিয়া দিব না” (যোহন ৬:৩৭)। “যত লোক তাঁহাকে গ্রহণ করিল, সেই সকলকে ... তিনি ঈশ্বরের সন্তান হইবার ক্ষমতা দিলেন” (যোহন ১:১২)। “আমি তাহাদের চিত্তে আমার ব্যবস্থা দিব, আর তাহাদের হৃদয়ে তাহা লিখিব” (ইব্রীয় ৮:১০)। “ঈশ্বরের ধন্যবাদ হউক, তিনি আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্ট দ্বারা আমাদিগকে জয় প্রদান করেন” (১ করিন্থীয় ১৫:৫৭)।
উত্তর: যীশু বলেন “দেখ, আমি দ্বারে দাঁড়াইয়া আছি, ও আঘাত করিতেছি; কেহ যদি আমার রব শুনে ও দ্বার খুলিয়া দেয়, তবে আমি তাহার কাছে প্রবেশ করিব” (প্রকাশিত বাক্য ৩:২০)। পবিত্র আত্মা দ্বারা যীশু আপনার হৃদয়ে আসার আকাঙ্ক্ষা করেন যেন তিনি আপনার জীবনকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন। যদি আপনি আপনার জীবন তাঁকে দিয়ে দেন, তিনি আপনার সব পাপ মুছে দেবেন (রোমীয় ৩:২৫) এবং আপনাকে ঐশ্বরিক জীবন যাপনের শক্তি দেবেন (যোহন ১:১২)। একদম বিনামূল্যে তিনি আপনাকে তাঁর পবিত্র চরিত্র প্রদান করবেন যেন আপনি নির্ভয়ে একজন পবিত্র ঈশ্বরের সামনে দাঁড়াতে পারেন। তাঁর ইচ্ছাকে পূর্ণ করা আপনার জন্য আনন্দের হবে। এটা এতটাই সহজ প্রক্রিয়া যে অনেকে সন্দেহের চোখে দেখেন, অথচ এটাই সত্যি। আপনার কাজ কেবল খ্রীষ্টের কাছে আপনার জীবন দিয়ে দেওয়া ও তাঁকে হৃদয়ে রাখা। তাঁর উপস্থিতি আপনার জীবনে এমন এক চমত্কার শক্তি হিসেবে কাজ করবে, যা আপনার জীবনকে বদলে দেবে এবং আপনাকে তাঁর দ্বিতীয় আগমনের জন্য প্রস্তুত করবে। এটি একটি বিনামূল্যে উপহার। আপনাকে কেবল এটি গ্রহণ করতে হবে।
14. কোন্ মহা বিপদের বিষয়ে যীশু আমাদের সতর্ক করেন?
“তোমরাও প্রস্তুত থাক, কেননা যে দণ্ড তোমরা মনে করিবে না, সেই দণ্ডে মনুষ্যপুত্র আসিবেন” (মথি ২৪:৪৪)। “আপনাদের বিষয়ে সাবধান থাকিও, পাছে ভোগপীড়ায় ও মত্ততায় এবং জীবিকার চিন্তায় তোমাদের হৃদয় ভারগ্রস্ত হয়, আর সেই দিন হঠাৎ ... তোমাদের উপরে আসিয়া পড়ে” (লুক ২১:৩৪)। “নোহের সময়ে যেরূপ হইয়াছিল, মনুষ্যপুত্রের আগমনও তদ্রূপ হইবে” (মথি ২৪:৩৭)।
উত্তর: জীবনের বিবিধ কার্য্যাদি নিয়ে আমরা এত ব্যস্ত থাকি কিংবা পাপের মোহে এতটাই ডুবে থাকি যে নোহের দিনে যেমন হঠাত্ করে মহা প্লাবন এসে পড়েছিলো, প্রভুর আগমনও তেমনি হঠাত্ হতে পারে, আর আমরা তখন বিস্মিত, অপ্রস্তুত, এবং পথভ্রষ্ট হয়ে পড়বো। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, লক্ষ কোটি লোকের অবস্থা এমনই হবে। যীশু অতি শীঘ্রই পুনরায় আসছেন। আপনি কি প্রস্তুত?
15. যীশু যখন তাঁর সন্তানদের তাঁর সঙ্গে নিয়ে যাবার জন্য ফিরে আসবেন, আপনি কি প্রস্তুত হয়ে থাকতে চান?
আপনার উত্তর:
আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর
১। কঠিন দুর্দশার সময় (সঙ্কটের কাল) আসতে এখনও দেরী নেই কি?
উত্তর: একথা সত্য যে যীশু তাঁর লোকেদের উদ্ধার করার ঠিক আগে এক ভয়ানক দুর্দশায় পৃথিবী ছেয়ে যাবে। দানিয়েল বলেছে যে এটি এমন এক “এমন সঙ্কটের কাল ... যাহা ... কখনও হয় নাই” (দানিয়েল ১২:১)। যাহোক, মথি ২৪:২১ এমন এক ভয়ানক যাতনার কথা উল্লেখ করে যা অন্ধকার যুগে ঈশ্বরের লোকেদের উপর এসেছিল, যখন লক্ষ কোটি লোককে হত্যা করা হয়েছিল।
২। যেহেতু প্রভু “রাত্রিকালে যেমন চোর আইসে,” তেমনি আসবেন, কী করে কেউ তাঁর আগমন সম্বন্ধে কোনও কিছু জানতে পারবে?
উত্তর: প্রশ্নটির উত্তর পাওয়া যায় ১ থিষলনীকীয় ৫:২—৪ পদে: “কারণ তোমরা নিজেরা বিলক্ষণ জান, রাত্রিকালে যেমন চোর আইসে5, তেমনি প্রভুর দিন আসিতেছে। লোকে যখন বলে, শান্তি ও অভয়, তখনই তাহাদের কাছে যেমন গর্ভবতীর প্রসববেদনা উপস্থিত হইয়া থাকে, তেমনি আকস্মিক বিনাশ উপস্থিত হয়; আর তাহারা কোন ক্রমে এড়াইতে পারিবে না। কিন্তু, ভ্রাতৃগণ, তোমরা অন্ধকারে নও যে, সেই দিন চোরের ন্যায় তোমাদের উপরে আসিয়া পড়িবে।” এই পদগুলো প্রভুর দিনের আকস্মিকতা নিয়ে লেখা হয়। দিনটি কেবল তাদের জন্য চোরের মত আসে যারা অপ্রস্তুত, তাদের জন্য নয় যারা প্রস্তুত—যাদেরকে “ভ্রাতৃগণ” বলা হয়েছে।
৩। কখন খ্রীষ্ট তাঁর রাজ্য পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করবেন?
উত্তর: প্রকাশিত বাক্য ২০ অধ্যায়ের ১০০০ বছরের পরে। এই সহস্র বছর শুরু হয় দ্বিতীয় আগমনের সময়ে, যখন যীশু ধার্মিকদের তাঁর সঙ্গে “সহস্র বত্সর” বসবাস এবং রাজত্ব করার জন্য স্বর্গে নিয়ে যান। (প্রকাশিত বাক্য ২০:৪)। এক হাজার বছরের শেষে “পবিত্র নগরী, নূতন যিরূশালেম” (প্রকাশিত বাক্য ২১:২) পবিত্রগণ সকলকে সঙ্গে নিয়ে স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে নেমে আসে (সখরিয় ১৪:১, ৫) এবং সমস্ত দুষ্টেরা আবার জীবিত হয় (প্রকাশিত বাক্য ২০:৫)। তারা নগরটিকে দখল করার জন্যে ঘিরে ফেলে (প্রকাশিত বাক্য ২০:৯), কিন্তু স্বর্গ থেকে আগুন এসে তাদেরকে গ্রাস করে। এই আগুন পৃথিবীকে শুদ্ধ করে এবং পাপের সমস্ত চিহ্ন মুছে দেয় (২ পিতর ৩:১০; মালাখি ৪:৩)। পরে ঈশ্বর একটি নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করেন
(২ পিতর ৩:১৩; যিশাইয় ৬৫:১৭; প্রকাশিত বাক্য ২১:১) এবং সেটি ধার্মিকদের দান করেন, এবং “ঈশ্বর আপনি তাহাদের সঙ্গে থাকিবেন, ও তাহাদের ঈশ্বর হইবেন” (প্রকাশিত বাক্য ২১:৩)। নিখুঁত, পবিত্র, সুখি মানুষগুলোকে, পুনরায় ঈশ্বরের নিখুঁত প্রতিমূর্তিতে ফিরিয়ে আনা হবে, অবশেষে একটি নিষ্পাপ, নিষ্কলঙ্ক পৃথিবীতে তাদের ঘর হবে, যেমনটি সর্বপ্রথমে ঈশ্বরের পরিকল্পনা ছিল। (ঈশ্বরের নতুন রাজ্যের বিষয়ে আরও তথ্যের জন্য, ৪ নং সহায়িকা বইটি দেখুন। ১০০০ বছরের বিষয়ে আরও জানতে ১২ নং সহায়িকা বইটি দেখুন।)
৪। খ্রীষ্টের দ্বিতীয় আগমনের বিষয়ে আজ কেন আমরা আরও বেশি করে প্রচার ও শিক্ষা শুনতে পাই না?
উত্তর: এর জন্য দায়ী শয়তান। সে ভালো করেই জানে যে দ্বিতীয় আগমনই হলো খ্রীষ্টিয়ানদের জন্য “পরমধন্য আশা” (তীত ২:১৩), সে আরও জানে যে এর মর্ম একবার বুঝতে পারলে, এটি নর-নারীদের জীবন বদলে দেয় এবং সেই সুখবর অন্যদেরও জানাতে তাদের ব্যক্তিগত, ও সক্রিয় ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করে। এটি শয়তানকে ক্ষুব্ধ করে, এইজন্য যারা “ভক্তির অবয়বধারী” (২ তীমথি ৩:৫), তাদের সে উপহাস করতে প্রভাবিত করে এই কথা বলে, “তাঁহার আগমনের প্রতিজ্ঞা কোথায়? কেননা যে অবধি পিতৃলোকেরা নিদ্রাগত হইয়াছেন, সেই অবধি সমস্তই সৃষ্টির আরম্ভ অবধি যেমন, তেমনই রহিয়াছে” (২ পিতর ৩:৩, ৪)। যারা খ্রীষ্টের দ্বিতীয় আগমনকে বাস্তব, এবং আসন্ন ঘটনা বলে মনে করে না, তারা বাইবেলের ভাববাণী
পূর্ণ করছে—শয়তানের সেবা করছে।
৫। লূক ১৭:৩৫ পদের “একজনকে লওয়া যাইবে, এবং অন্য জনকে ছাড়িয়া যাওয়া হইবে” কথার অর্থ কি?
উত্তর: না এ বিষয়ে এমন কোন ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি যে, ঘটনাটি গোপনে হবে। যীশু নোহের জলপ্লাবন এবং সদোমের ধ্বংস বর্ণনা করেছিলেন। (লূক ১৭:২৬-৩৭ পদ দেখুন)। তিনি বর্ণনা করেছেন কীভাবে ঈশ্বর নোহ ও লোটকে রক্ষা করেছিলেন এবং দুষ্টদের ধ্বংস করেছিলেন। তিনি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলেছেন যে, জলপ্লাবন ও আগুন “সকলকে বিনষ্ট করিল” (২৭-২৯পদ)। স্পষ্টত, প্রতিটি ক্ষেত্রে মুষ্টিমেয় কয়েকজনকে রক্ষা করা হয়েছিল এবং অবশিষ্টরা ধ্বংস হয়েছিল। এরপর তিনি আরোও যোগ করেছেন, “মনুষ্যপুত্র যেদিন প্রকাশিত হইবে, সেইদিনও সেইরূপ হইবে” (৩০ পদ)। বিষয়টি আরোও বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যীশু আরোও বলেছেন,”দুইজন স্ত্রীলোক একত্রে যাঁতা পিষিবে, তাহাদের একজনকে লওয়া যাইবে” (৩৫ পদ)। তাঁর দ্বিতীয় আগমনের ক্ষেত্রে লুকোচুরির কিছুই নেই। “আর প্রত্যেক চক্ষু তাহাকে দেখিবে (প্রকাশিত বাক্য ১:৭)। তাঁর দ্বিতীয় আগমনে খ্রীষ্ট প্রকাশে ও সবার সামনে ধার্মিকদের মেঘরথে নিয়ে যাবেন (১ থিষলনীকীয় ৪:১৬,১৭), একই সময়ে তাঁর পরাক্রান্ত উপস্থিতির পবিত্রতায় দুষ্টরা ধ্বংস হবে (যিশাইয় ১১:৪; ২ থিষলনীকীয় ২:৮)। এই কারণে লূক ১৭:৩৭
পদ দুষ্টদের দেহ সম্বন্ধে বলে এবং তাদের চারপাশে ঈগল (অথবা শকুনের) উপস্থিতির কথা বলে।
(আরোও দেখুন প্রকাশিত বাক্য ১৯:১৭,১৮)। যে দুষ্টেরা খ্রীষ্টের আগমনের সময় এই পৃথিবীতে থাকবে তারা মৃত হিসেবে পড়ে থাকবে। (“নিভৃতচয়ন” মতবাদ বিষয়ে আরো জানার জন্য এই বিষয়ে আমাদের বইগুলো পাওয়ার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন)।
সারসংক্ষেপ
দয়া করে এই প্রশ্নের সমাধান করার আগে পাঠটি পড়ে নিন। সমস্ত উত্তর আপনি এই সহায়িকা বইটিতে পেয়ে যাবেন।। সঠিক উত্তরটির পাশে টিক চিহ্ন দিন। বন্ধনীর সংখ্যাগুলো (১) সঠিক উত্তরের সংখ্যা নির্দেশ করে।
১। যীশুর দ্বিতীয় আগমনের সময়ে (১)
( ) তিনি গোপনে এসে বিভিন্ন নগরে যাবেন।
( ) তিনি মরুভূমিতে আবির্ভূত হবেন।
( ) তিনি মেঘে বিদ্যমান থাকবেন ও বিশ্বাসীদের তাঁর কাছে ডেকে নেবেন।
২। পৃথিবীতে যীশুর প্রত্যাবর্তনের সময়ে (১)
( ) শুধুমাত্র পবিত্রগণই তাঁকে দেখবে।
( ) প্রত্যেক চোখ তাঁকে দেখবে।
( ) টিভিতে ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেউ জানবে না।
৩। দ্বিতীয় আগমনে ধার্মিকদের কী হবে? (২)
( ) বিশ্বাসীগণ কবর থেকে উঠবেন, অমরত্ব পেয়ে মেঘরথে প্রভুর সঙ্গে স্বর্গারোহণ করবেন।
( ) জীবিত বিশ্বাসীগণ অমরত্ব লাভ করে মেঘরথে স্বর্গারোহণ করবেন।
( ) বিশ্বাসীগণ এখানে থেকে অবিশ্বাসীদের শিক্ষা দেবে।
( ) বিশ্বাসীদের সংগোপনে নিয়ে যাওয়া হবে।
৪। বাইবেলের চিহ্নাদির ভিত্তিতে খ্রীষ্টের আগমন (১)
( ) অতি শীঘ্র হবে।
( ) কয়েক শত বছর দেরিতে হবে।
( ) ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে।
৫। যীশুর প্রত্যাবর্তনে জীবিত পাপীদের (১)
( ) নরকে ফেলা হবে, যেখানে তারা চিরকাল পুড়বে।
( ) তাঁর দ্বিতীয় আগমনে মৃত্যুর শাস্তি দেয়া হবে।
( ) ক্ষমা করে আরেকটি সুযোগ দেয়া হবে।
৬। দ্বিতীয় আগমনের সঠিক বিবৃতি (৪)
( ) তিনি গোপনে আসবেন।
( ) দ্বিতীয় আগমন হলো মন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা।
( ) তিনি মেঘরথে আসবেন।
( ) আমাদের মৃত্যুশয্যায়, খ্রীষ্টের আগমন হয়।
( ) দুষ্টরা তাঁকে দেখতে পাবে না।
( ) সব স্বর্গদূতগণ তাঁর সঙ্গী হবেন।
( ) তিনি পৃথিবীর ভূমি স্পর্শ করবেন না।
( ) তাঁর আগমনের দিনক্ষণ জানা সম্ভব।
( ) লক্ষ লক্ষ মানুষ বিস্মিত হয়ে, বিনষ্ট হবে।
৭। খ্রীষ্টের দ্বিতীয় আগমনের সময়ে (১)
( ) সমগ্র পৃথিবী প্রস্তুত থাকবে ও অপেক্ষায় থাকবে।
( ) বিশ্বব্যাপী প্রবল ভূমিকম্প হবে।
( ) মন্দ লোকেরা পরিবর্তিত হবে।
৮। পৃথিবীর শেষ দিনগুলোর সত্য চিহ্ন-বিষয়ক সব বিবৃতি চিহ্নিত করুন: (৭)
( ) পৃথিবী উন্নততর হতে থাকবে।
( ) মূলধন ও শ্রমের মধ্যে দ্বন্দ্ব।
( ) ভূমিকম্প, তুফান, প্রভৃতি হ্রাস পাবে।
( ) বাইবেলের সত্য থেকে সরে পড়বে।
( ) বিলাসীতায় উন্মত্ততা।
( ) নৈতিক অধঃপতন।
( ) অপরাধের হারে ব্যাপক হ্রাস।
( ) ভয়ানক দুর্ভিক্ষ।
( ) জ্ঞানের বৃদ্ধি।
( ) প্রবল অশান্তি ও অভ্যুত্থান।
৯। আকাশের কোন্ চিহ্নগুলো খ্রীষ্টের প্রত্যাবর্তনের লক্ষণ? (২)
( ) হ্যালি’র ধূমকেতু।
( ) ১৭৮০-এর মে মাসের অন্ধকার দিনটি।
( ) ১৮৩৩-এর নভেম্বরে আকাশের তারার পতন।
( ) পৃথিবীতে চন্দ্রের পতন।
১০। কীভাবে আমরা জানবো যে যীশু অতি শীঘ্র পৃথিবীতে ফিরে আসছেন? (১)
( ) বাইবেল শেষকালের সুনির্দিষ্ট চিহ্ন ও বর্ণনা দেয়।
( ) কারণ অনেকেই বিশ্বাস করেন যে যীশু শীঘ্র আসছেন।
( ) কিছু ভবিষ্যদ্বক্তা পূর্বাভাস দিয়েছেন সেইজন্য।
১১। অনেকেই প্রতারিত হবেন কারণ (১)
( ) ঈশ্বর চান না সকলেই রক্ষা পায়।
( ) তাঁরা মণ্ডলীতে যথেষ্ট পরিমানে দান করেন নি।
( ) তাঁরা সত্যের সন্ধানে তাদের বাইবেল পড়েন নি।
১২। আমি খ্রীষ্টের আগমনের জন্য প্রস্তুত
থাকবো যদি (১)
( ) যীশু আমার মধ্যে বাস করেন।
( ) আমি প্রতিদিন সংবাদপত্র পাঠ করি।
( ) আমার যাজক যা পরামর্শ দেন তাই করি।
১৩। আমি যীশুর আগমনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার চেষ্টা করছি।
( ) হ্যাঁ।
( ) না।


